
ওয়াশিংটন: নির্বাচনী প্রচারকালীন প্রায় দু’বার হামলার মুখে পড়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একবার তো একটুর জন্য প্রাণরক্ষা পেয়েছিল তাঁর। কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছিল গুলি। চুঁইয়ে পড়া রক্ত নিয়েই ভাষণ চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এখন সেই সব বাধা পেরিয়ে রাষ্ট্রপতির পদে বসেছেন ট্রাম্প। কিন্তু বিপদ যেন তারপরেও কাটেনি।
রবিবার, বন্দুক উঁচিয়ে বাড়াবাড়ি এক যুবকের। তাও আবার কোথায়, খোদ দেশের রাষ্ট্রপতির বাসভবনের সামনে। এদিন হোয়াইট হাউসের সামনে বন্দুক উঁচিয়ে দৌরাত্ম্য দেখাচ্ছিলেন এক যুবক। নজরে আসতেই ছুটে যায় পুলিশ। চলে গুলি।
কিন্তু বন্দুক নিয়ে হোয়াইট হাউসের কাছে কী করছিলেন তিনি? আমেরিকার এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইন্ডিয়ানা থেকে ওয়াশিংটনে এসেছিলেন সেই যুবক। পুলিশের সন্দেহ সম্ভবত আত্মঘাতী হওয়ার জন্যই নিজের বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে ছিলেন সেই যুবক। সঙ্গে রেখেছিলেন একটি বন্দুকও।
স্থানীয় থানা সূত্রে খবর পেয়েই সেই যুবকের উপর নজর রেখেছিল মার্কিন গোয়েন্দারা। পরিস্থিতি ঠিকই ছিল, গোলযোগ বাড়ে যখন সেই যুবক তার গাড়ি নিয়ে হোয়াইট হাউসের কাছে এসে দাঁড়ায়। পাছে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে, সেই ‘ভয়ে’ যুবকের দিকে এগিয়ে যান গোয়েন্দারা। তখনই গোয়েন্দাদের দিকে বন্দুক তাক করেন সেই যুবক। তারপরই পাল্টা গুলি চালায় মার্কিন গোয়েন্দারা।
ইতিমধ্যে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে সেই আহত যুবককে। এই ঘটনায় কোনও গোয়েন্দা জখম হয়নি বলেই জানা গিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে। ট্রাম্পের বাসভবনের অদূরেই বন্দুক নিয়ে যুবকের বন্দুক উঁচিয়ে দৌরাত্ম্য চালাচ্ছিলেন সেই যুবক। অবশ্য, জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতির বাসভবনে অদূরেই যখন মার্কিন গোয়েন্দার গুলিতে বিদ্ধ হলেন একজন। সেই সময় সুদূর ফ্লোরিডায় নিজের বাড়িতে ছিলেন ট্রাম্প।