
যে কোনও ধরণের লোন নিতে গেলে তা কতটা সহজে পাওয়া যাবে সেই ইঙ্গিত দেয় ক্রেডিট স্কোর। কোনও ব্যাক্তির ক্রেডিট স্কোর ভাল হলে, সে কম সুদের হারে অতি সহজেই ঋণ পেতে পারেন। আবার ক্রেডিট স্কোর ভাল না হলে ঋণ পেতে হাজারও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় গ্রাহকদের। কিন্তু এমন একটি লোন রয়েছে যা পেতে বিশেষ বেগ পেতে হয় না গ্রাহকদের। আর তা হল গোল্ড লোন।
গোল্ড লোন পাওয়া খুব সহজ। আর তার প্রধান কারণ হল সোনার বার বা অলঙ্কার জমা রাখলে ব্যাঙ্ক বা এনবিএফসিগুলো গোল্ড লোন দিয়ে থাকে। আর এই ধরণের লোনের অনুমোদন খুব সহজে আর খুব দ্রুত হয়। কিন্তু গোল্ড লোন কীভাবে ক্রেডিট স্কোরকে প্রভাবিত করে? গোল্ড লোন কোনও ক্রেডিট স্কোরকে ইতিবাচক ও নেতিবাচক, দুই ভাবেই প্রভাবিত করতে পারে। যদি কেউ সময় মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে তা ইতিবাচক হয়। এই ঋণ পরিশোধের ইতিহাস ঋণ গ্রহীতার ক্রেদিট স্কোর বাড়াতে সাহায্য করে। আবার কোনও ইএমআই মিস হলে তা স্বাভাবিক ভাবেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
প্রসঙ্গত, ক্রেডিট স্কোর ৩০০ থেকে ৯০০-এর মধ্যে হয়। সাধারণত ক্রেডিট স্কোর ৭৫০-এর বেশি হলে তাকে চমৎকার বলেই ধরা হয়। গোল্ড লোন নিয়ে কেউ শোধ করতে না পারলে ঋণদাতা সংস্থা বন্ধক রাখা অলঙ্কার বা গোল্ড বার নিলাম করে দিতে পারে।
গোল্ড লোন একটি সুরক্ষিত ঋণ হলেও ক্রেডিট ব্যুরোতে এই ঋণের বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়। ফলে, ঋণ চোকাতে দেরি বা সঠিক ভাবে ইএমআই পেমেন্ট করা, সব কিছুর উপরই নিজর থাকে। এ ক্ষেত্রে বলা যায়, গোল্ড লোনের জন্য দারুণ ক্রেডিট স্কোরের প্রয়োজন নেই। কিন্তু গোল্ড লোন ক্রেডিট স্কোরকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে।
কোথাও বিনিয়োগ করতে চাইলে সেই বিষয়ে যথাযথ তথ্যানুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করুন। এই লেখা শুধুমাত্র শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে। TV9 বাংলা বিনিয়োগের কোনও উপদেশ দেয় না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোনও বিনিয়োগে বাজারগত ঝুঁকি রয়েছে। ফলে, আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি সাবধানে পড়ে নেবেন। তারপর বিনিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।