
কলকাতা: নতুন বছরে সরকারের থেকে এক গুচ্ছ উপহার পেয়েছে সাধারণ মানুষ। মিলেছে ১২ লক্ষ টাকা আয় সম্পূর্ণ কর ছাড়। এছাড়া, আগের তুলনায় কমেছে রেপো রেট। মধ্যবিত্ত মনে যে আর্থিক চাপ ক্রমে বাড়ছে, সেই কথাটা ভালই টের পেয়েছে কেন্দ্র সরকার। তাই নতুন বছরে দেশের মধ্যবিত্ত সমাজকে একটু রেহাই দিতেই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
তবে করছাড় বা রেপো রেটে ছাঁটাই দেখা গেলেও, বাড়ন্ত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিশেষ কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি কেন্দ্র সরকারকে। সম্প্রতি, অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে তারা। কিন্তু তাতে তো লাভবান শুধুই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী। বেসরকারি কর্মীদের তো তাতে কিছু যায় আসে না। আর যেভাবে দিন-দিন প্রতিটি পণ্যের বাজার-দর হুহু করে বাড়ছে সেখানে দাঁড়িয়ে তো আরও বাড়তি চাপে পড়ছে মধ্য়বিত্ত শ্রেণী।
মাসিক খরচের বাড়ন্ত চাপে একটা বড় জায়গায় ঘাঁটি গেড়ে বসেছে পেট্রোল-ডিজেলের খরচ। এখনকার দিনে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে গাড়ি-বাইক। যার জেরে মাসে একটা মোটা অঙ্কের টাকাই বেরিয়ে যায় তেলের খরচ জোগাতে। গত এক বছর ধরে তেলের দামে বিশেষ তফাৎ না দেখা গেলেও, ১০০ টাকার নীচেও নামতে দেখা যায়নি পেট্রোল-ডিজেলের দর।
তার মধ্য়েই আবার বিশ্ব বাজারে দাম কমেছে অশোধিত তেলের। জানা গিয়েছে, বর্তমানে ব্যারেল প্রতি অশোধিত তেলের দাম নেমে এসেছে ৭০ ডলারেরও নীচে। বুধবারও বিশ্ব বাজারে ৬৯.০৯ ডলার বিক্রি হয়েছে প্রতিটি অশোধিত তেলের ব্যারেল। এই অশোধিত তেলের দামের উপরেই নির্ভর করে পেট্রোল-ডিজেলের দাম। বুধবার বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের দাম কমতেই দেশের অন্দরে বেড়েছে জল্পনা। খুব শীঘ্রই কি তবে প্রভাব পড়বে পেট্রোল-ডিজেলের দরেও?