
কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তরে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন যাতে সময়মতো দেওয়া হয়, তার জন্য নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। ২০২৫ সালের নতুন শ্রম আইন মেনে এই নির্দেশিকা তৈরী করা হয়েছে যাতে কোনও কর্মী সমস্যায় না পড়েন। (Credit - AI)

এখন থেকে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের টাকা আর নগদে (বা হাতে ক্যাশ) দেওয়া যাবে না। অর্থমন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত বেতন শুধুমাত্র অনলাইনে দিতে হবে। এতে লেনদেনের স্বচ্ছতা বজায় থাকবে ও পেমেন্টের প্রমান থাকবে। (Credit - AI)

যারা প্রতিদিনের চুক্তিতে কাজ করেন, তাঁদের শিফট শেষ হলেই টাকা দিতে হবে। আর যাঁরা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে কাজ করেন, তাঁদের ছুটির আগেই পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে সরকার। (Credit - AI)

যাঁরা সাপ্তাহিক বেতন পান, তাঁদের ১৫ দিনের কাজের টাকা ২ দিনের মধ্যে দিতে হবে। আবার যাঁরা মাসিক বেতন পান, তাঁদের পরবর্তী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক। দেরি করলে ঠিকাদারকে জবাবদিহি করতে হবে। (Credit - AI)

যদি কোনও ঠিকাদার সময়মতো টাকা না দেন, তবে সরকারি বিভাগ নিজেই সরকারি কর্মীদের বেতন মিটিয়ে দেবে। এই নিয়মটি কাজের চুক্তিতে আগে থেকে লেখা থাকবে যাতে কর্মীদের পাওনা পেতে কোনও অনিশ্চয়তা না থাকে। (Credit - AI)

ঠিকাদার টাকা না দিলে সেই সংস্থাকে ব্ল্যাকলিস্টেড বা ব্যান করতে পারবে সরকার। একবার অপরাধ করলে এক দপ্তর থেকে ও বারবার এক কাজ করলে সরকারি সমস্ত কাজ থেকে তাকে ব্যান করা হবে। (Credit - AI)

কাজের চুক্তিতে এখন শাস্তির নিয়ম যোগ করা হবে। যদি কোনও সংস্থা আইন মেনে ঠিক সময় কর্মীদের বেতন না দেয়, তাহলে তাদের থেকে বড় অঙ্কের জরিমানা আদায় করা হবে ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। (Credit - AI)

৮ মে জারি হওয়া এই নতুন এদেশের মূল লক্ষ্য হলো কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা দেওয়া। এর ফলে ঠিকাদাররা আর তাদের ইচ্ছেমতো বেতন আটকে রাখতে পারবেন না ও সরকারি কাজের মানও বাড়বে। (Credit - AI)