
নয়াদিল্লি: ভারতের আর্থিক উন্নতির গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। মেক ইন ইন্ডিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিদেশি সংস্থাগুলি ভারতে তাদের পণ্য উৎপাদন করছে। এর ফলে ভারতে কর্মসংস্থান বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবে লাভবান হচ্ছেন ভারতীয়রা। আর এরই সঙ্গে ভারতে খুচরো বাজারও ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে ভারতের খুচরো বাজার গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ লক্ষ কোটি টাকায়। ২০২৫ সালে তা আরও অনেকটা এগিয়ে যাবে বলে আশা বাজার বিশেষজ্ঞদের।
বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ (বিসিজি) ও রিটেলার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (আরএআই) যৌথভাবে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। ‘উইনিং ইন ভারত অ্যান্ড ইন্ডিয়া: দ্য রিটেল ক্যালিডোস্কোপ’ নামে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে ভারতের খুচরো বাজারের পরিমাণ ছিল ৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। দশ বছরে সেটাই বেড়ে হয়েছে ৮২ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোদীর আমলে গত দশ বছরে খুচরো বাজার দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। আরও দশ বছর পর অর্থাৎ ২০৩৪ সালে তা ১৯০ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়াতে পারে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশ যত আর্থিক উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। কারণ, মানুষের আয় বেড়েছে। বহু পরিবার আপার ইনকাম গ্রুপে জায়গা পেয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের ব্যয়ক্ষমতা বেড়েছে। করোনাকালে কিছুটা ধাক্কা খেলেও তা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আগামী দশ বছরে মানুষের ব্যয়ক্ষমতা আরও বাড়ছে। সেদিকে নজর রেখেই রিপোর্ট বলা হয়েছে, ২০৩৪ সালে খুচরো বাজারের পরিমাণ ১৯০ লক্ষ কোটিতে পৌঁছে যাবে।
ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, জেড প্রজন্ম ডিজিটালের সঙ্গে সড়গড়। তারা ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে যেকোনও জিনিস কিনছে। একইসঙ্গে মহিলাদের কেনার অভ্যাসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্ট। তবে এখনও পর্যন্ত ৫৮ শতাংশ কেনাকাটা অফলাইনেও হয়।