10 Lakh Travel Insurance: মাত্র ৪৫ পয়সা খরচ করলেই ১০ লাখ টাকার সুবিধা পাওয়া যায়! কী করতে হয় জানেন?

Indian Railways: এখন খুবই জনপ্রিয় হয়েছে ট্রাভেল ইন্সুরেন্স। এর জন্য মোটা টাকা খরচ করেন অনেকে। তবে জানেন কি, ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও আপনি ১০ লক্ষ টাকার বিমা পেতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ১ টাকাও খরচ করতে হয় না। মাত্র ৪৫ পয়সাতেই ইন্সুরেন্স কভার পাওয়া যায়। কীভাবে এই বিমা করাবেন?

10 Lakh Travel Insurance: মাত্র ৪৫ পয়সা খরচ করলেই ১০ লাখ টাকার সুবিধা পাওয়া যায়! কী করতে হয় জানেন?
ফাইল চিত্র।Image Credit source: Getty Images

|

Jul 09, 2026 | 4:16 PM

নয়া দিল্লি: জীবন বড়ই অনিশ্চিত। তাই এখন অনেকেই বিমা (Insurance) করিয়ে রাখেন। জীবন বিমা  (Life Insurance) থেকে শুরু করে ভ্রমণ বিমা (Travel Insurance)- সবই করে রাখেন অনেকে। এখন খুবই জনপ্রিয় হয়েছে ট্রাভেল ইন্সুরেন্স। এর জন্য মোটা টাকা খরচ করেন অনেকে। তবে জানেন কি, ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও আপনি ১০ লক্ষ টাকার বিমা পেতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ১ টাকাও খরচ করতে হয় না। মাত্র ৪৫ পয়সাতেই ইন্সুরেন্স কভার পাওয়া যায়। কীভাবে এই বিমা করাবেন?

রেলের বিমা-

এই বিমা করানোর জন্য আলাদা করে কিছু করতে হয় না। ট্রেনের টিকিট বুক করার সময় একটি ছোট বক্স আসে, যেখানে লেখা থাকে – “আপনি কি ভ্রমণ বিমা চান?”। বেশিরভাগ মানুষই এই বক্সটিতে টিক দেন না। তবে এই একটা ছোট্ট টিকেই কিন্তু ১০ লক্ষ টাকার বিমা পাওয়া যায় আইআরসিটিসি-র তরফে।

বিমার সুবিধা:

মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্ব: এক্ষেত্রে বিমা করানো ব্যক্তি বা তার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় ভারতীয় রেলের তরফে।

আংশিক পঙ্গুত্ব: এক্ষেত্রে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার কভারেজ পাওয়া যায়।

হাসপাতালের চিকিৎসা খরচ: ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আইআরসিটিসি ট্রাভেল ইন্সুরেন্স (IRCTC Travel Insurance) পাওয়া যায়।

মৃতদেহ পরিবহন: কোনও ট্রেন দুর্ঘটনায় যদি মৃত্যু হয় এবং যাত্রীর বিমা করানো থাকে, তবে মৃতদেহ পরিবহনের জন্য় অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

এই ধরনের বিমা-কে এমবেডেড ইন্সুরেন্স বা অন্তর্নিহিত বিমা বলা হয়। আজকাল যেকোনও পণ্য কেনা বা পরিষেবা গ্রহণের সময়ই সঙ্গে বিমা পাওয়া যায়। এর জন্য আলাদাভাবে কিছু করার প্রয়োজন হয় না।

কীভাবে বিমা করানো হয়?

আগে বিমা করানোর ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলা ছিল। প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের ফলে এখন এই সুবিধাটি সম্ভব হয়েছে। বিমা কোম্পানি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো এপিআই (API)-এর মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে, যার ফলে গ্রাহকরা কম খরচে ও সহজে বিমা পেয়ে থাকেন।

এমবেডেড ইন্সুরেন্স দুই প্রকারের হয়-

স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটিক- এক্ষেত্রে বিমা পণ্যের দামের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকে, গ্রাহককে আলাদাভাবে বিমা পরিষেবা বেছে নিতে হয় না।

অপ্ট-ইন-  গ্রাহক একটি নামমাত্র প্রিমিয়াম দিয়ে বিমা নিতে পারেন। এক্ষেত্রে তাদের বিমা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

আজকাল স্মার্টফোনগুলোতে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি, চুরি এবং বর্ধিত ওয়ারেন্টির মতো সুবিধা আগে থেকেই থাকে। ফ্লিপকার্ট, অ্যামাজনের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও রিলায়েন্স ডিজিটাল এবং ক্রোমার মতো দোকানেও এই সুবিধা পাওয়া যায়। ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং স্মার্টওয়াচের মতো ডিভাইসের জন্যও একই ধরনের এমবেডেড ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে।

এর সুবিধাগুলো কী কী?

  • কোনও পৃথক এজেন্ট বা আবেদনের প্রয়োজন নেই।
  • অত্যন্ত কম প্রিমিয়াম হয়। পকেটের উপর কোনও চাপ পড়ে না।
  • কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে, সুরক্ষা পাওয়া যায়।

 

Follow Us