
অনেকেরই মনে একটা সহজ প্রশ্ন জানে, সেলেবদের পর্দায় যেমন দেখতে, সামনে ঠিক তেমনটাই দেখতে লাগে? হয়তো নয়। তবে এই মিথ সবক্ষেত্রে মোটেও খাটে না। এমন অনেক সেলেব রয়েছেন, যাঁরা সামনে থেকে আরও সুন্দর। তবে যদি কারও পরিচয় পত্রের ছবি দেখে তাঁকে বিচার করতে হয়, তবে এক কথায় চেনা মুশকিল। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিচয় পত্রের ছবি বেজায় অবাক করে সকলকেই। একবার ঐশ্বর্যকে নিয়েও তৈরি হয়েছিল ভক্তমনে এমনই প্রশ্ন। প্রকাশ্যে এসেছিল ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের পাসপোর্টের ছবি। সোশ্যাল মিডিযায় প্রকাশ্যে আসতেই তা রাতারাতি ভাইরাল।
২০০৬ সালে তৈরি করা এই পাসপোর্ট এক কথায় সকলের নজর কাড়ে। মিষ্টি দেখতে সেলেবের ছবিতে মুগ্ধ সকলেই। তবে সাধারণত আইকার্ডের ক্ষেত্রে ছবি খুব একটা মনের মতো হয় না। সে সেলিব্রিটিই হোক বা আমআদমি। ভোটার কার্ড বা আধার কার্ডের ছবি দেখে সকলেরই এক কথায় মন খারাপ। সে ছবি যেন না দেখালেই মঙ্গল। তাই নেটদুনিয়ার একাংশের এবার প্রশ্ন, তাহলে ভোটার কার্ড বা আধার কার্ডের ছবি দেখানো হোক।
২০২২ সালে ফাস্টলুক থেকে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের পাসপোস্টের ছবি সামনে আনা হয়েছে। যেখানে লেখা, একমাত্র ব্যক্তি যাঁর পাসপোর্টের ছবি সুন্দর। কিন্তু ভোটার আবার আধার কার্ডের ক্ষেত্রেও এই মন্তব্য প্রযোজ্য কি না, তা এখন জানতে চায় ভক্তমহল। তাই কমেন্ট বক্সে উঠল প্রশ্নের ঝড়। নেটদুনিয়া কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের দিকে। ক্ষমতা থাকলে তিনি ভোটার আধার কার্ডের ছবি দেখান…। কেউ কেউ দাবি করলেন, আধারের ছবি যদি সুন্দর হয়, তবে জানান, বিশ্বাস করব।