AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

কাজের তাগিদে বিনিদ্র রজনী! ৮৩ বছর বয়সেও অমিতাভের সঙ্গী কে জানেন?

কিন্তু অমিতাভ বচ্চনের ক্ষেত্রে বোধহয় নিয়মটা একটু আলাদা। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় রুপোলি পর্দায় রাজত্ব করার পরেও, নিখুঁত কাজের খোঁজ আজও তাঁর নিত্যদিনের সঙ্গী। সম্প্রতি নিজের ব্লগে মনের তেমনই এক না-বলা কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন ৮৩ বছর বয়সী এই মেগাস্টার।

কাজের তাগিদে বিনিদ্র রজনী! ৮৩ বছর বয়সেও অমিতাভের সঙ্গী কে জানেন?
| Updated on: Jun 19, 2026 | 3:10 PM
Share

বহু দশকের সাফল্য সাধারণ মানুষের জীবনে আত্মবিশ্বাস আর মানসিক শান্তি এনে দেয়। কিন্তু অমিতাভ বচ্চনের ক্ষেত্রে বোধহয় নিয়মটা একটু আলাদা। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় রুপোলি পর্দায় রাজত্ব করার পরেও, নিখুঁত কাজের খোঁজ আজও তাঁর নিত্যদিনের সঙ্গী। সম্প্রতি নিজের ব্লগে মনের তেমনই এক না-বলা কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন ৮৩ বছর বয়সী এই মেগাস্টার।

নিজের ব্লগে বিগ-বি জানিয়েছেন, সম্প্রতি একটি কাজ শেষ করার পরও তাঁর মন খচখচ করছিল। কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলেও অমিতাভের মনে হয়েছিল, সেটি আরও একটু ভালো হতে পারত। অগত্যা অনুমতি নিয়ে আবারও নতুন করে শ্যুট করেন তিনি।

হিন্দিতে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে শাহেনশাহ লিখেছেন, “কাজ থেকে পাওয়া কিছু মুহূর্ত। শেষ করার পর মনে হলো এটা আরও ভালো হতে পারত। অনুমতি পেয়েছিলাম, তাই আবার নতুন করে করলাম। এখন জানি না আদেও ভালো হলো কি না। যারা দেখবেন, তারাই বলতে পারবেন। এই চিন্তায় সারা রাত চোখের পাতা এক করতে পারিনি, দেখতে দেখতে সকাল হয়ে গেল। ‘ইএফ’ (এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলি)-দের জন্য ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।”

বলিউডের ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’-এর এই স্বীকারোক্তি আরও একবার প্রমাণ করল, নিজের কাজের প্রতি তিনি কতটা দায়বদ্ধ। বছরের পর বছর ধরে অজস্র কালজয়ী চরিত্র উপহার দেওয়ার পরেও, কাজের মান নিয়ে সামান্য সংশয় অভিনেতাকে সারা রাত জাগিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট।

এর মাত্র কয়েকদিন আগেই নিজের ব্যস্ততম শিডিউল নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বিগ-বি। কাজের চাপ কতটা, তা বোঝাতে ব্লগে লিখেছিলেন, “কাজ মানেই কাজ.. কাজ মানেই কাজ.. কাজ মানেই কাজ..!!! আজ ১২টি শর্ট ফিল্মের শ্যুটিং সারলাম.. সঙ্গে দুটো স্টিল শ্যুট। আর এখন আপনাদের (ব্লগ লেখা) জন্য সময় দিচ্ছি।”

পাশাপাশি, অনুরাগীদের সঙ্গে এই আত্মিক যোগাযোগ বজায় রাখাকেই নিজের জীবনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে মনে করেন অমিতাভ। কোনো পরিস্থিতিতেই যাতে এই নিয়মে খামতি না পড়ে, সে বিষয়ে অনড় থেকে তিনি লেখেন, “..কোনো রকম টালবাহানা ছাড়া এই জুড়ে থাকার প্রক্রিয়াটাই হলো আজকের দিনের আসল কাজ। বাকি সব তো চলেগা রেহেগা! ইয়ে রুকনা নেহি চাহিয়ে। কাজের দিনের আগে দিনের পর দিন ধরে নিখুঁত প্রস্তুতি নেওয়ার পরেও এই অধ্যাবসায় যেন কোনো পরিস্থিতিতেই বিঘ্নিত না হয়, তা সে বাতানুকূল পাজামাই পরা থাকুক না কেন!!!! যাই হোক… এবার ঘুমাতে চললাম।”

Follow Us