PM Narendra Modi: ‘যুবসমাজের কাছে দেশই সবার আগে’, বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
Modi Messages to Youth: প্রধানমন্ত্রী বলেন,"দেশের যে সীমান্তেই গ্রাম হোক না কেন,সব প্রান্তের যুবকদের ভাবনা একই। ভৌগোলিকভাবে দূরে থাকলেও আমরা আবেগের বন্ধনে এক। তাই, সীমান্তবর্তী গ্রামকে দেশের শেষ গ্রাম নয়, প্রথম গ্রাম হিসেবে দেখার ভাবনা নিয়েই আমরা এগিয়েছি। স্বাধীনতার পর এতদিন এই গ্রামগুলিকে দেশের শেষ গ্রাম বলা হত।"

নয়া দিল্লি: দেশের যুবসমাজকে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী(PM Narendra Modi)। রবিবার ‘বিকশিত ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যুবকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির উন্নয়ন,স্থানীয় সংস্কৃতি এবং যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানেই দেশের যুবদের (Modi Messages to Youth) আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, বিকশিত গ্রামই বিকশিত ভারতের ভিত্তি।
‘বিকশিত ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’ কর্মসূচিতে দেশের ২৪৫টি সীমান্তবর্তী গ্রামের ৫ হাজারেরও বেশি যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন। ‘মাই ভারত’-এর সদস্যরা সীমান্তবর্তী গ্রাম সফরের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তাঁদের কাছ থেকে সেই সব এলাকার উন্নয়ন, চ্যালেঞ্জ এবং বাস্তব পরিস্থিতির কথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী জানান, এই কর্মসূচির জন্য প্রায় ৩ লক্ষ যুবক আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৪০০-রও বেশি যুবক-যুবতী নির্বাচিত হন।
‘সীমান্তের গ্রামই দেশের প্রথম গ্রাম’
প্রধানমন্ত্রী বলেন,”দেশের যে সীমান্তেই গ্রাম হোক না কেন,সব প্রান্তের যুবকদের ভাবনা একই। ভৌগোলিকভাবে দূরে থাকলেও আমরা আবেগের বন্ধনে এক। তাই, সীমান্তবর্তী গ্রামকে দেশের শেষ গ্রাম নয়, প্রথম গ্রাম হিসেবে দেখার ভাবনা নিয়েই আমরা এগিয়েছি। স্বাধীনতার পর এতদিন এই গ্রামগুলিকে দেশের শেষ গ্রাম বলা হত।” আরও বলেন, “আমার দেশের যুবকদের কাছে দেশই সবার আগে। এক ভারত,শ্রেষ্ঠ ভারত শুধু আমাদের নয়, অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।”
এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান
যুবদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে বরাবরই সমষ্টিগত চেতনার ঐতিহ্য রয়েছে। একসঙ্গে কাজ করলে শক্তি বাড়ে, গান গাইলে মানসিক চাপও কমে। বর্তমানে একা ভ্রমণের (Solo Travel) প্রবণতা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি যুবক-যুবতীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
সীমান্তে দেশপ্রেম
মোদীর কথায়, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে দেশপ্রেমের অনুভূতি সবচেয়ে বেশি। তাঁর কথায়, “সেখানে মানুষের কাছে দেশ আগে,অন্য সব সুবিধা পরে।” প্রধানমন্ত্রী আরও জানান,”রাজনীতিতে আসার আগেও তাঁর সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। এখনও সেই সব এলাকার বহু মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি প্রতি বছর সীমান্তে গিয়ে দেশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করি।”
শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন,”বিকশিত গ্রামই বিকশিত ভারতের ভিত্তি। সেই লক্ষ্য পূরণে দেশের যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুবকরা যখন দেশের মাটির সঙ্গে যুক্ত হয়,তখনই বিকশিত ভারতের স্বপ্ন আরও শক্তিশালী হয়।”
