
আজ তিনি টলিউডের অন্যতম সফল নায়ক, দুর্দান্ত ডান্সার এবং প্রযোজক। বড় পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই বিনোদনের পারফেক্ট প্যাকেজ। তিনি টলিউডের ‘হ্যান্ডসাম হাঙ্ক’ অঙ্কুশ হাজরা। তবে আজকের এই সাফল্য ও নাম-যশের নেপথ্যে রয়েছে এক দীর্ঘ সংগ্রামের পথ। কেরিয়ারের শুরুতে প্রথম উপার্জনের স্মৃতি আজও অঙ্কুশের হৃদয়ে সমান তাজা। সম্প্রতি নিজের প্রথম রোজগার এবং সেই টাকা দিয়ে কী করেছিলেন, তা নিয়ে টিভি নাইন বাংলাকে এক আবেগঘন অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।
টলিউডে যখন পা রেখেছিলেন, তখন তিনি সম্পূর্ণ নতুন মুখ। ঠিক সেই সময়েই একটি নামী সংবাদ চ্যানেলের অ্যাওয়ার্ড শো-তে পারফর্ম করার সুযোগ পান অঙ্কুশ। সেই পারফরম্যান্সের বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছিলেন ৩০ হাজার টাকা। যদিও কর ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁর হাতে এসেছিল প্রায় ২৭ হাজার টাকা।
প্রথমবার নিজের উপার্জিত সেই টাকা পেয়ে কী করেছিলেন অঙ্কুশ? কোনও ব্যক্তিগত বিলাসিতা নয়, বরং পুরো টাকাটাই তুলে দিয়েছিলেন নিজের মায়ের হাতে। মা-ও সেই উপার্জনের প্রথম অর্থ ঠাকুরের আসনে রেখে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেছিলেন। অঙ্কুশের মতে, জীবনের সেই প্রথম উপার্জনের আনন্দ এবং অনুভূতি ছিল সবকিছুর ঊর্ধ্বে।
তবে প্রথম রোজগার মায়ের হাতে তুলে দিলেও, এর পরের পারিশ্রমিক দিয়ে নিজের একটি দীর্ঘদিনের শখ পূরণ করেছিলেন অভিনেতা। তখন বাইক চালানোর প্রতি তীব্র নেশা ছিল অঙ্কুশের। তাই পরবর্তী কাজের পারিশ্রমিক জমিয়েই কিনে ফেলেছিলেন নিজের স্বপ্নের একটি জমকালো বাইক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্র্যান্ডেড গাড়ি ও বিলাসবহুল জীবন আসলেও, সেই সাতাশ হাজার টাকা আর প্রথম বাইক কেনার আনন্দ যে তাঁর কাছে আজও অমলিন, তা স্পষ্ট অভিনেতার কথায়।