
সলমন খান– বলিউডের ভাইজান তিনি। তাঁর ‘সোয়াগ’ বলিপাড়ায় বেশ চর্চিত। এও শোনা যায় ভাইজান রেগে গেলে নাকি ধারণ করে রুদ্রমূর্তি। এ হেন সলমনকে একদা কষিয়ে চড় মেরেছিলেন এক ব্যক্তি। মজার কথা হল, সেই ব্যক্তিকে পাল্টা কিছুই বলতে পারেননি সলমন বলবেনই বা কী করে? সেই মানুষটি যে তাঁর খুব কাছে। তিনি আর কেউ নন, সলমনের বাবা সেলিম খান। কিন্তু কেন? কী এমন করেছিলেন সলমন যে রাগে ফেটে পড়েছিলেন সেলিম? সম্প্রতি সলমনের খান দুই ভাই আরবাজ ও সোহেল শেয়ার করেছেন সেই কথাই। আরবাজের কথায়,” সলমন আমাদের থেকে বড়। ভাইদের মধ্যে সবচেয়ে দুষ্টু ছিল ও। বাবা মাঝে মাঝেই ওর উপর রেগে যেত।” ছোটবেলায় ঘটা এক ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছেন আরবাজ। তিনি বলেন, “বাবা সলমনকে ট্র্যাপিজের খেলা দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল। যখন ওরা ফিরল আচমকাই এল নির্মীয়মাণ বাড়ি চোখে পড়ে সলমন ভাইয়ের। ব্যস ঘটে যায় বিপত্তি। স্টান্ট করেতে গিয়ে হাতটাই ভেঙে ফেলে ও।”
সলমন ভেবেছিলেন হাত ভাঙার খবর পেলে বাবা বোধহয় তাঁর প্রতি সহমর্মী হবেন। কিন্তু বাস্তব জীবনে হয়েছিল ঠিক তাঁর উল্টোটা। বাবাকে দেখাতেই ঠাটিয়ে চড় খেয়েছিলেন সলমন, এমনটাই জানিয়েছেন আরবাজ।
আরবাজের কথায়, “বাবা মারাত্মক রেগে গিয়েছিলেন। সলমন ভাইয়ের দিকে চিৎকার করে বলেন, ‘এ কী ধরনের অসভ্যতা? পাগল হয়ে গিয়েছ নাকি?’ বলেই মারতে শুরু করেন।” তবে ছেলেকে যে শীঘ্রই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে, তাও মনে করিয়ে দেন সেলিমই। সে যাত্রায় রক্ষা পান সলমন।
ছোট থেকেই নাকি মারাত্মক দুষ্টু ছিলেন সলমন খান। ছিলেন খানিক বখাটেও। যা ভাবতেন তাই-ই করতেন। — এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর দুই ভাই। তাঁর আরও এক ভাই সোহেলের কথায়, “বাবা সলমনকে নিয়ে হামেশাই চিন্তায় থাকতেন। কারণ ভাই ভাবত ওর পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়।” তবে সবার চিন্তাকে মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়ে বলিউডের প্রথম সারিতে তিনি নাম লিখিয়ে ফেলেন বহু বছর আগেই। আজও সেখানে চলছে ভাইজানের শাসন।