
রাজবীর দে (Rajveer Dey)-কে ঘিরে এখন রীতিমতো সরগরম বিগ বসের ঘর। শিলিগুড়ির ছেলে তিনি, অথচ বাংলা ভাষাকেই নাকি অপমান করে বসেছেন! বিগ বসের অন্দরে তাঁর এক মন্তব্য ঘিরে রীতিমতো ঝড় উঠেছে। শুধু বিগ বসের ঘরেই নয়, সোশাল মিডিয়াতেও এখন এই নিয়ে তুমুল চর্চা চলছে।
বাংলা ভাষা নিয়ে ধুন্ধুমার
বৃহস্পতিবারের পর্বে দেখা গিয়েছে এক অন্য চিত্র। ঝিলম ঘর পরিষ্কার করছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলেন জীতু। সেখানে হাজির হন রাজবীর। কিন্তু ঝিলমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বারবার ভুল বাংলা বলছিলেন। এতেই চরম বিরক্ত হন ঝিলম। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগে ভাল করে বাংলা ভাষাটা শিখে আসতে। এরপরই দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল কথা কাটাকাটি।
‘পুকুরের মাছ’ বিতর্ক
রাজবীর বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, তিনি পাঁচ বছর মুম্বইয়ে কাটিয়েছেন। সেই কারণেই তাঁর বাংলা বলাটা অতটাও স্পষ্ট নয়। তবে তিনি বাংলা বলার চেষ্টাও করছেন। কিন্তু ঝিলম সেই কথায় কোনও গুরুত্বই দেননি। এরপরই হঠাৎ নিজের মেজাজ হারান রাজবীর। তিনি সোজাসুজি বলে বসেন, তিনি বাংলায় আটকে থাকতে চাননি বলেই বাইরে কাজ করতে গিয়েছিলেন। আর যাঁরা সেটা করতে পারেননি, তাঁরা সবাই নাকি ‘পুকুরের মাছ’! আর তিনি নিজে হলেন সমুদ্রের তিমি।
তোলপাড় বিগ বসের ঘর
ব্যাস, এই কথা শোনার পরেই যেন আগুনে ঘি পড়ে। রাজবীরের এমন মন্তব্য শুনে রেগে আগুন হয়ে যান তনুশ্রী। তাঁর সঙ্গে তুমুল ঝগড়া শুরু হয় সৃজলা এবং সোনামণিরও। বাদ যাননি জীতুও। তিনিও রাজবীরকে বেশ কড়া কথা শুনিয়ে দেন। সব মিলিয়ে বিগ বসের ঘরে তখন রীতিমতো কুরুক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়
নেটদুনিয়ায় চর্চা ও প্রেমের গুঞ্জন
ইতিমধ্যেই এই ঝগড়ার ভিডিয়ো সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে গিয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ রাজবীরের উপর বেজায় চটেছেন। তবে অনেকেই আবার তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের মতে, বিগ বসের ঘরে রাজবীরকে ইচ্ছে করে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে। তবে বিগ বসে কখনও ঝগড়া, তো কখনও প্রেম! এত অশান্তির মধ্যেও কিন্তু প্রেমের ফুল ফুটেছে। নন্দিনীর সঙ্গে রাজবীরের ঘনিষ্ঠতা সবার নজর কেড়েছে। ওয়াশরুম থেকে বেরনোর পর রাজবীরকে জড়িয়ে ধরেন নন্দিনী, উপরি পাওনা হিসেবে গালে চুমুও খান। একদিকে চরম অশান্তি, অন্যদিকে জমজমাট প্রেম, বিগ বসের ঘরে এখন বিনোদনের ফুলপ্যাকেজ!