
সোশ্যাল পাড়ায় এখন নয়া ঝড়– ছিঃ ছিঃ ছিঃ ননী ছিঃ। রিলস থেকে শুরু করে মিম, এই গানে ভরছে সোশ্যাল মিডিয়ার পাতা। নেটিজেনদের পছন্দের তালিকায় এখন টপ লিস্টে এই উড়িয়া গান। বছর ২০ পর… ভাগ্য যেন রাতারাতি অন্য সুরে কথা বলতে শুরু করল ছবির অভিনেতার। নাম বিভূতি বিশ্বাল। গানটি প্রথম বার রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। ২০০৫ সালে প্রযোজক সীতারাম আগরওয়াল এই গানের উপর একটি ভিডিয়ো তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখনই ফ্রেমে আসেন নায়ক বিভূতি বিশ্বাল। এই মিউজিক ভিডিয়োর শুটিং হয়েছিল পিটাপালি এবং জামদারপালি গ্রামে। প্রথমে এই গানটি সামান্য জনপ্রিয়তা পেলেও কয়েকদিনের মধ্যেই তা হারিয়ে যায়।
ফলে সেই সময় এই গানের সঙ্গে যুক্ত কেউই লাভের মুখ দেখেননি। এমন কি পরিচিতির আলোতেও নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। এখন সেই গানই ইতিহাস গড়ছে। সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে ছিঃ ছিঃ রে ননী ছিঃ। এ যেন স্বপ্ন। বর্তমানে সবটাই রূপকথার গল্পের মতো অভিনেতা বিভূতি বিশ্বালের কাছে। চারিদিকে তাঁর ভিডিয়ো নিয়ে প্রশংসায় ঝড়ে তিনি আজ আবেগঘন। জীবন থেকে বয়ে গিয়েছে ২০টা বছর। নেশাকেই পেশা করতে পারতেন ভালবেসে, যদি এই ভালবাসাটা তিনি ২০০৫ সালে পেতেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিভূতি বিশ্বাল বলেন, আজ সত্যি ভাল লাগছে, সবটাই স্বপ্নের মতো। শুধু একটাই আক্ষেপ, “এভাবেই যদি বছর ২০ আগে মানুষ ভালবাসা দেখাতেন, এই খ্যাতি পেতাম, তবে কেরিয়ারটা আজ অন্যরকম হতে পারত। সেদিন যদি এমনটা হতো, তাহলে হয়তো নেশাটাকেই পেশা করে গর্বের সঙ্গে বাঁচতে পারতাম।”
সম্বলপুরের বাসিন্দা বিভূতি বিশ্বাল, মনে প্রাণে তিনি একজন মঞ্চশিল্পী। থিয়েটারে তাঁর ভালবাসা। প্রধান এবং পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ইতিমধ্যেই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকের মনে। আকাশবাণী সম্বলপুরের সঙ্গে যুক্ত এই শিল্পী বর্তমানে পার্ট-টাইম আর্ট টিচার হিসেবেও কাজ করেন। চেয়েছিলেন ফুলটাইম অভিনেতা হতে, সেই স্বপ্ন তাঁর সত্যি হতে পারত, যদি ২০২৫ থেকে ২০টা বছর পিছিয়ে যাওয়া যেত।