মা-বাবার কোটি টাকার সম্পত্তি, জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কলের ছেলে কত টাকা স্যালারির চাকরি করেন?

বড়পর্দায় আসার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই তাঁর। বরং ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়েই নিজের কেরিয়ার গড়তে চান তিনি। তবে এই শিক্ষা তিনি কোনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে নিচ্ছেন না, বরং একদম তৃণমূল স্তরে গিয়ে শিখছেন কাজের খুঁটিনাটি।

মা-বাবার কোটি টাকার সম্পত্তি, জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কলের ছেলে কত টাকা স্যালারির চাকরি করেন?
জানেন অক্ষয়-টুইঙ্কলের ছেলে কত টাকা স্য়ালারির চাকরি করেন?

|

Apr 20, 2026 | 2:15 PM

অধিকাংশ তারকাসন্তানের লক্ষ্য যেখানে থাকে বড়পর্দায় নায়ক হওয়া, সেখানে অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কল খান্নার বড় ছেলে আরভ ভাটিয়ার পছন্দ একেবারেই আলাদা। বড়পর্দায় আসার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই তাঁর। বরং ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়েই নিজের কেরিয়ার গড়তে চান তিনি। তবে এই শিক্ষা তিনি কোনও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে নিচ্ছেন না, বরং একদম তৃণমূল স্তরে গিয়ে শিখছেন কাজের খুঁটিনাটি।

এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় জানান, আরভ বর্তমানে অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করছেন। অভিনেতা বলেন, “বেচারা আজও মাত্র ৪৫০০ টাকার একটি চাকরি করছে। গ্রামে গ্রামে ঘুরে সেখান থেকে ফ্যাশন শিখছে। বিভিন্ন ধরণের প্রিন্ট এবং বুননশৈলী সম্পর্কে হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জন করছে। আমি মনে করি এটা খুব ভালো বিষয়।” ছেলের এই কঠোর পরিশ্রম আর মাটির কাছাকাছি থাকার মানসিকতাকে সমর্থন জানিয়েছেন গর্বিত বাবা।

অক্ষয়ের মতে, আরভ ও তাঁর মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। দুজনেই দারুণ স্বাস্থ্য সচেতন এবং কাজের প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী। তবে ছেলে যে বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বলিউডে নাম লেখাবেন না, তা নিয়ে আরভের মনে কোনও দ্বিধা নেই। অক্ষয় বলেন, “ও খুব লম্বা এবং সুগঠিত চেহারার অধিকারী। কিন্তু সিনেমায় আসার কোনও পরিকল্পনা ওর নেই। ও শুধু ফ্যাশন নিয়েই থাকতে চায়।”

সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে অক্ষয় একেবারেই কড়া মেজাজের নন। তিনি জানান, তিনি আরভকে কোনও উপদেশ বা লেকচার দেন না। অভিনেতা বলেন, “আমি ওকে শুধু একটা কথাই বলি— কখনও কাউকে আঘাত কোরও না। ব্যস, এটুকুই। বাকি জীবনটা ও নিজের মতো করে সামলে নিক, সেটাই আমি চাই।”

২০০২ সালে জন্ম নেওয়া আরভ ১৫ বছর বয়স থেকেই পড়াশোনার জন্য বিদেশে পাড়ি দেন। বর্তমানে লন্ডনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি। প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেই ভালোবাসেন অক্ষয়-নন্দন। অন্যদিকে, অক্ষয় ও টুইঙ্কলের ছোট মেয়ে নিতারাকে মাঝেমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় দেখা যায়।

 

Follow Us