AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

প্রথম কাজ করে কত টাকা মাইনে পেয়েছিলেন অমিতাভ? জানলে অবাক হয়ে যাবেন

আজ তিনি বলিউডের মহীরুহ। কিন্তু ১৯৬৮ সালের ক্যালেন্ডার বলছে, মুম্বইয়ের গ্ল্যামার জগত থেকে শত যোজন দূরে কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থায় সাধারণ চাকরি করতেন লম্বা ছিপছিপে এক যুবক। নাম অমিতাভ বচ্চন। পকেটে টান থাকলেও মনে ছিল স্বাধীনতার অদম্য জেদ। সম্প্রতি নিজের ব্লগে সেই সাদাকালো দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বিগ বি ডুব দিলেন নস্টালজিয়ায়।

প্রথম কাজ করে কত টাকা মাইনে পেয়েছিলেন অমিতাভ? জানলে অবাক হয়ে যাবেন
| Updated on: Mar 07, 2026 | 5:11 PM
Share

আজ তিনি বলিউডের মহীরুহ। কিন্তু ১৯৬৮ সালের ক্যালেন্ডার বলছে, মুম্বইয়ের গ্ল্যামার জগত থেকে শত যোজন দূরে কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থায় সাধারণ চাকরি করতেন লম্বা ছিপছিপে এক যুবক। নাম অমিতাভ বচ্চন। পকেটে টান থাকলেও মনে ছিল স্বাধীনতার অদম্য জেদ। সম্প্রতি নিজের ব্লগে সেই সাদাকালো দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বিগ বি ডুব দিলেন নস্টালজিয়ায়।

কলকাতার সেই দিনগুলো অমিতাভের কাছে ছিল লড়াই আর বন্ধুত্বের এক অদ্ভুত মিশেল। অমিতাভ লিখেছেন, “আমরা আটজন বন্ধু মিলে ১০ বাই ১০ সাইজের একটা খুপরি ঘরে থাকতাম। মাস শেষে হাতে আসত মাত্র ১৬৪০ টাকা। কাজ শেষে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াতাম। শহরের বড় বড় রেস্তোরাঁগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে ভাবতাম—একদিন আমাদেরও ভেতরে ঢোকার সামর্থ্য হবে।”

চাকরি জীবনের সেই দিনগুলোতে খিদের জ্বালা মেটানোই ছিল সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। অমিতাভ নিজেই জানিয়েছেন, হাতে সামান্য টাকা থাকায় পেট ভরে খাওয়ার উপায় ছিল না। সেই সময় এক পরিচিতর পরামর্শে তিনি পৌঁছে যেতেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে। খুব কম টাকায় উপাদেয় এবং পেটভরা খাবার বলতে তখন তাঁর একমাত্র সম্বল ছিল ফুচকা। অমিতাভের কথায়, “সেই সময় কম পয়সায় ফুচকাই ছিল সবথেকে ভালো খাবার, যা খেয়ে অন্তত খিদের কষ্টটা ভুলে থাকা যেত।”

পুরনো দিনের কথা মনে করে অমিতাভ আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “মাঝে মাঝে মন ভালো থাকলে বড় জায়গার গেটকিপারদের বলতাম—দিন ফিরলে তোমাদের দেখে নেব। যদিও তা আর কোনোদিন হয়ে ওঠেনি।” ১৯৬৯ সালে ‘সাত হিন্দুস্তানি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে সুযোগ পাওয়ার পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। কিন্তু আজও যখন শুটিংয়ের প্রয়োজনে কলকাতায় ফেরেন, তখন ভিড়ের আড়ালে সেই পুরনো গলিগুলোতে নিজের যৌবন আর হারানো দিনগুলোকে খুঁজে বেড়ান শাহেনশাহ। শহর বদলেছে, বদলে গিয়েছে অমিতাভের জীবনযাত্রাও। কিন্তু ভিক্টোরিয়ার ফুচকার স্বাদ আর মেসবাড়ির সেই অভাবী দিনগুলো আজও অমিতাভ বচ্চনের হৃদয়ে ‘অমূল্য’ সম্পদ হয়ে অক্ষয় হয়ে আছে। তাঁর কথায়, “স্মৃতি আর ভালোবাসা কোনও দিন ম্লান হয় না।”