Bigg Boss house drama: ‘এরকম করলে গায়ে হাত উঠে যাবে!’ দুর্নিবারের ওপর বেজায় চটে মেজাজ হারালেন ক্যাপ্টেন

Bigg Boss Bangla: বিগ বসের অন্দরে এবার খাবার চুরি নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড। ডাগআউটের সদস্য দুর্নিবার সাহা কলা নিয়ে পালাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন ক্যাপ্টেন ভরত কলের কাছে; রেগে আগুন ভরত মারধরের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ভরতের কথার উত্তরে কী বললেন গায়ক?

Bigg Boss house drama: এরকম করলে গায়ে হাত উঠে যাবে! দুর্নিবারের ওপর বেজায় চটে মেজাজ হারালেন ক্যাপ্টেন
কী ঘটেছে?Image Credit source: Meta AI

Sep 03, 2026 | 8:45 AM

বিগ বসের অন্দরমহল মানেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। একদিকে কড়া নিয়ম, অন্যদিকে লড়াই। শোয়ের শুরুতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বিভাজন রেখা। অধিনায়ক ভরত কলের নেতৃত্বে মূল ঘরের টিমে রয়েছেন নন্দিনী মুখোপাধ্যায়, নিরঞ্জন মন্ডল, সোনামনি সাহার মতো সদস্যরা। অন্যদিকে ভোটাভুটির পর ডাগআউট হাউজে পাঠিয়ে দেওয়া হয় চার সদস্যকে, সঙ্গীতশিল্পী দুর্নিবার সাহা, প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস, সমাজমাধ্যমের চেনা মুখ ঝিলম গুপ্ত এবং অভিনেত্রী তনুশ্রী রায় দাস। পরে আবার সেই ডাগআউটে যোগ দিতে হয়েছে সোহিনী পাল এবং জয়িতাকেও।

ডাগআউটে থাকা সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা একেবারেই সীমিত। আলাদা রেশন, আলাদা রান্না। আর সেই ঘাটতি মেটাতেই শুরু হয়েছে মূল রান্নাঘর থেকে গোপনে খাবার সরিয়ে নেওয়ার অভিযান। তবে সেই ‘চুরি’ করতে গিয়েই ঘটল এক তুলকালাম কাণ্ড।

ডাইনিং টেবিলে বসে তখন গভীর আলোচনায় মগ্ন ভরত কল, নন্দিনী এবং জয়িতা। বাড়ির অন্দরের নানা সমীকরণ নিয়ে যখন কথা চলছিল, ঠিক তখনই ঘটে ঘটনাটি। ডাগআউটের দিকে পা টিপে টিপে কলা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুর্নিবার। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বিষয়টি সোজা চোখে পড়ে যায় ভরত কলের। তিনি আটকাতে যেতেই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দৌড়ে পালান দুর্নিবার।

এই ঘটনায় মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। নন্দিনী পরিস্থিতি বুঝে ভরতকে সাবধান করে বলেন, এটা পুরোপুরি ওদের পূর্বপরিকল্পিত চাল। নন্দিনীর কথায়, ইচ্ছা করে তোমাকে রাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ট্রিগার করা হচ্ছে, যাতে সেই ফাঁকে নিজেদের কাজ হাসিল করে জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দেওয়া যায়।

সহজাতভাবেই মেজাজ হারান ভরত কল। তাঁর রাগের আসল কারণ, হাতেনাতে ধরা পড়ার পরেও দুর্নিবার কলাটি ফেরত দেননি। ক্ষোভে ফেটে পড়ে চিৎকার করে ওঠেন ভরত। তিনি বলেন, “আমি এখানে বসে খাচ্ছি, আমি ক্যাপ্টেন, ক্যাপ্টেনের রুমে ঢুকল কী করে?” এখানেই থামেননি তিনি। চুরির প্রতিবাদ জানিয়ে আরও বলেন, “আমি যখন তোর চুরিটা ধরলাম, তুই নিজেকে আটকালি না কেন?” এর পর মারাত্মক রেগে গিয়ে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন, এর পর এমন আচরণ করলে তিনি কিন্তু গায়ে হাত তুলতে বাধ্য হবেন!

ভরতকে চরম ক্ষিপ্ত হতে দেখে পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন লাফটারসেন অর্থাৎ নিরঞ্জন। তিনি ভরতকে শান্ত করার চেষ্টা করে বলেন, “ভরতদা তুমি শান্ত হও, না হলে শরীর খারাপ করবে।”

তবে ভরত কল যতটাই রেগে লাল হন, উল্টোদিকে দুর্নিবার ছিলেন একেবারেই নির্বিকার ও শান্ত। কোনওরকম উত্তেজিত না হয়ে পুরো বিষয়টিকে অত্যন্ত হালকা চালে এবং মজার ছলে সামাল দেন তিনি। দুর্নিবারের এই মজাদার প্রতিক্রিয়া ঘরের বাকিদের মুখেও হাসি ফোটায়। শেষমেশ বাকি সদস্যরা এসে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ভরতকে শান্ত করেন। বিগ বসের অন্দরে এই কলা নিয়ে চোর-পুলিশ খেলা এখন দর্শকদের অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় ৩০ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া শোটিতে প্রথম থেকেই এই পারদ চড়তে শুরু করেছে। রোজ রাত সাড়ে নটায় টিভির পর্দায় কী ঘটতে চলেছে, তা নিয়ে এখন থেকেই দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us