Swarup Biswas: স্বরূপ বিশ্বাসের থেকে আইনি বিচ্ছেদের পথে স্ত্রী জুঁই বিশ্বাস

Swarup Biswas wife Juhi Biswas divorce news: টলিপাড়ার অন্দরে আর্থিক দুর্নীতি এবং প্রভাবশালীদের যোগসূত্র নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই এক বড়সড় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে আনলেন দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। গত কয়েক বছর ধরে চলা জল্পনায় কার্যত সিলমোহর দিয়ে স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটার কথা স্পষ্ট করলেন তিনি। ২০১৯ সাল থেকেই তাঁরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলাদা থাকছিলেন (Mutual Separation) আর এবার আইনি পথে হাঁটছেন জুঁই ও স্বরূপ।

| Edited By: আকাশ মিশ্র

May 28, 2026 | 7:45 PM

টলিপাড়ার অন্দরে আর্থিক দুর্নীতি এবং প্রভাবশালীদের যোগসূত্র নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই এক বড়সড় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে আনলেন দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। গত কয়েক বছর ধরে চলা জল্পনায় কার্যত সিলমোহর দিয়ে স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটার কথা স্পষ্ট করলেন তিনি। ২০১৯ সাল থেকেই তাঁরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলাদা থাকছিলেন (Mutual Separation) আর এবার আইনি পথে হাঁটছেন জুঁই ও স্বরূপ। জুঁই জানিয়েছেন, চলতি বছরের শুরুতেই এই বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছিলেন তাঁরা।

দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের পাশাপাশি তিনি ছিলেন তৃণমূল সরকারের প্রভাবশালী বিশ্বাস পরিবারের বউমা। নিন্দুকরা ধরেই নিয়েছিল, যে স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী হওয়ায়, কেরিয়ারে তাঁর জুটবে আলাদা মাইলেজ। কিন্তু নিন্দুকদের এমন জল্পনাকে সব সময়ই নসাৎ করেছেন জুঁই বিশ্বাস। টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্ক ও বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া নিয়ে জুঁই বিশ্বাস জানান, এই সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া নয়, বরং দীর্ঘদিনের। জুঁই জানান, ২০১৯ সাল থেকেই তিনি এবং স্বরূপ বিশ্বাস মিউচুয়াল সেপারেশনে রয়েছেন। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতিতে ঠিকানা বদল না করলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর গত বছর (২০২৫) থেকেই তিনি সম্পূর্ণ আলাদা ঠিকানায় চলে এসেছেন। জুঁই জানান, নিজেদের দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তিনি বলেন, “আমাদের দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে এখন টিনএজের দিকে যাচ্ছে। এই সময়ে আমি ওদের মেন্টাল হেলথকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।” সঙ্গে জুঁই আরও বলেন, “এটা তো আমার ব্যক্তিগত জীবন, কোনও বিনোদন চ্যানেল নয়। রোজই তো চারদিকে প্রচুর বিচ্ছেদ হচ্ছে। আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জেনে জনগণের কোনও উপকার হবে না। তাই এটা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার পক্ষপাতী ছিলাম না। আইনি প্রক্রিয়া চলছে, যত দ্রুত সম্ভব এটা মিটে যাক, সেটাই চাই।”

সরকার বদল এবং টলিউডে বিশ্বাস পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা দুনীর্তির অভিযোগের কারণেই কি এই বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত?

২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত তৃণমূল সরকারের প্রথম দফায় অনেক ভালো কাজ হয়েছে বলেই দল আবার ক্ষমতায় এসেছিল বলে মনে করেন জুঁই। তবে তাঁর দাবি, “২০১৬ সালের পর থেকে চিত্রটা সাময়িকভাবে বদলে যেতে শুরু করে। কিছু ভালো কাজের পাশাপাশি এমন অনেক কাজ হতে থাকে যা মেনে নেওয়া যায় না। আর সেটা আমি মানতে চাইনি। সেই কারণেই আমি ‘অড ম্যান আউট’।”

দেখুন সেই সাক্ষাৎকার–

টলিপাড়ার সাম্প্রতিক দুর্নীতিতে বিশ্বাস পরিবারের নাম জড়ানো প্রসঙ্গে জুঁই সাফ জানান, ২০১৯ সাল থেকেই তিনি এই পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ফলে টলিউড সংক্রান্ত যা রটনা, তা সাধারণ মানুষের মতোই তিনিও শুনেছেন মাত্র। ক্ষমতার অপব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “প্রভাবশালী পরিবারে থাকলেই যে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে হবে, তা আমার নৈতিকতার সঙ্গে যায় না। সবার নৈতিক চিন্তা আলাদা। আর আমি শুধু আমার কথাই বলতে পারি। অন্যরা কী করছে, সেটা বলতে পারব না। আমি টলিউডের কোনও প্রিমিয়ার বা পার্টিতে যাইনি। এমনকী, বন্ধুদের সঙ্গে বাংলা সিনেমা দেখতে হলে আমি সবসময় টিকিট কেটেই সিনেমা হলে গিয়েছি। ” স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে এর থেকে বেশি আর কিছুই বলতে চাননি জুঁই। তবে তাঁর আশা দ্রুত আইনি পথে এই বিচ্ছেদ ঘটবে। আর তিনি নিজের কাজের প্রতি বরাবরের মতো পুরদমে ফোকাস করতে পারবেন।

টলিপাড়ার অন্দরে আর্থিক দুর্নীতি এবং প্রভাবশালীদের যোগসূত্র নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই এক বড়সড় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে আনলেন দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই বিশ্বাস। গত কয়েক বছর ধরে চলা জল্পনায় কার্যত সিলমোহর দিয়ে স্বামী স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটার কথা স্পষ্ট করলেন তিনি। ২০১৯ সাল থেকেই তাঁরা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে আলাদা থাকছিলেন (Mutual Separation) আর এবার আইনি পথে হাঁটছেন জুঁই ও স্বরূপ। জুঁই জানিয়েছেন, চলতি বছরের শুরুতেই এই বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছিলেন তাঁরা।

দক্ষিণ কলকাতার ৮১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের পাশাপাশি তিনি ছিলেন তৃণমূল সরকারের প্রভাবশালী বিশ্বাস পরিবারের বউমা। নিন্দুকরা ধরেই নিয়েছিল, যে স্বরূপ বিশ্বাসের স্ত্রী হওয়ায়, কেরিয়ারে তাঁর জুটবে আলাদা মাইলেজ। কিন্তু নিন্দুকদের এমন জল্পনাকে সব সময়ই নসাৎ করেছেন জুঁই বিশ্বাস। টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্ক ও বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া নিয়ে জুঁই বিশ্বাস জানান, এই সিদ্ধান্ত হুট করে নেওয়া নয়, বরং দীর্ঘদিনের। জুঁই জানান, ২০১৯ সাল থেকেই তিনি এবং স্বরূপ বিশ্বাস মিউচুয়াল সেপারেশনে রয়েছেন। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতিতে ঠিকানা বদল না করলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর গত বছর (২০২৫) থেকেই তিনি সম্পূর্ণ আলাদা ঠিকানায় চলে এসেছেন। জুঁই জানান, নিজেদের দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তিনি বলেন, “আমাদের দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে এখন টিনএজের দিকে যাচ্ছে। এই সময়ে আমি ওদের মেন্টাল হেলথকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।” সঙ্গে জুঁই আরও বলেন, “এটা তো আমার ব্যক্তিগত জীবন, কোনও বিনোদন চ্যানেল নয়। রোজই তো চারদিকে প্রচুর বিচ্ছেদ হচ্ছে। আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জেনে জনগণের কোনও উপকার হবে না। তাই এটা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার পক্ষপাতী ছিলাম না। আইনি প্রক্রিয়া চলছে, যত দ্রুত সম্ভব এটা মিটে যাক, সেটাই চাই।”

সরকার বদল এবং টলিউডে বিশ্বাস পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা দুনীর্তির অভিযোগের কারণেই কি এই বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত?

২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত তৃণমূল সরকারের প্রথম দফায় অনেক ভালো কাজ হয়েছে বলেই দল আবার ক্ষমতায় এসেছিল বলে মনে করেন জুঁই। তবে তাঁর দাবি, “২০১৬ সালের পর থেকে চিত্রটা সাময়িকভাবে বদলে যেতে শুরু করে। কিছু ভালো কাজের পাশাপাশি এমন অনেক কাজ হতে থাকে যা মেনে নেওয়া যায় না। আর সেটা আমি মানতে চাইনি। সেই কারণেই আমি ‘অড ম্যান আউট’।”

দেখুন সেই সাক্ষাৎকার–

টলিপাড়ার সাম্প্রতিক দুর্নীতিতে বিশ্বাস পরিবারের নাম জড়ানো প্রসঙ্গে জুঁই সাফ জানান, ২০১৯ সাল থেকেই তিনি এই পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। ফলে টলিউড সংক্রান্ত যা রটনা, তা সাধারণ মানুষের মতোই তিনিও শুনেছেন মাত্র। ক্ষমতার অপব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “প্রভাবশালী পরিবারে থাকলেই যে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে হবে, তা আমার নৈতিকতার সঙ্গে যায় না। সবার নৈতিক চিন্তা আলাদা। আর আমি শুধু আমার কথাই বলতে পারি। অন্যরা কী করছে, সেটা বলতে পারব না। আমি টলিউডের কোনও প্রিমিয়ার বা পার্টিতে যাইনি। এমনকী, বন্ধুদের সঙ্গে বাংলা সিনেমা দেখতে হলে আমি সবসময় টিকিট কেটেই সিনেমা হলে গিয়েছি। ” স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে এর থেকে বেশি আর কিছুই বলতে চাননি জুঁই। তবে তাঁর আশা দ্রুত আইনি পথে এই বিচ্ছেদ ঘটবে। আর তিনি নিজের কাজের প্রতি বরাবরের মতো পুরদমে ফোকাস করতে পারবেন।

Follow Us