
তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রেমের গুঞ্জন চলার পর অবশেষে নাকি ভেঙে গেল পলক তিওয়ারি এবং ইব্রাহিম আলি খানের সম্পর্ক। সূত্রের খবর, পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছেন এই চর্চিত জুটি। তবে জানা যাচ্ছে, সম্পর্ক শেষ করার এই সিদ্ধান্তটি মূলত ইব্রাহিমই নিয়েছেন। যদিও বিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে পলক বা ইব্রাহিম— দুজনের কেউই এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।
ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনকে একসঙ্গে রেখে যে সমস্ত শুটিংয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেগুলি হয় বাতিল করা হয়েছে নয়তো আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে ওই সূত্রটি জানায়, “সঠিক কারণ আমাদের জানা নেই… তবে বিচ্ছেদটি বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে। নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় জনসমক্ষে এনে কাদা ছোড়াছুড়ি করার কোনও পরিকল্পনা তাঁদের নেই। এই মুহূর্তে দুজনেই নিজ নিজ কেরিয়ারে মনোনিবেশ করতে চান।”
টেলিভিশন অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারির কন্যা পলক এবং সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের পুত্র ইব্রাহিম— দুজনের প্রেমের গুঞ্জন প্রথম শুরু হয় ২০২২ সালে। মুম্বইয়ের একটি রেস্তোরাঁ থেকে একসঙ্গে বেরোনোর সময় ছবিশিকারিদের ক্যামেরাবন্দি হন তাঁরা। সেই সময় ক্যামেরার সামনে পলকের মুখ লুকনোর চেষ্টা নেটপাড়ায় ব্যাপক চর্চার জন্ম দিয়েছিল।
পরবর্তীকালে একাধিক অনুষ্ঠানে এবং ছুটিতে কাটানো নানা মুহূর্তে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেলেও, নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনওই মুখ খোলেননি পলক বা ইব্রাহিম।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মেয়ে পলকের এই প্রেমের জল্পনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। এই ধরনের চর্চাকে পাত্তা না দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, “এই সব রটনা আমাকে আর ভাবায় না। এত বছরের অভিজ্ঞতায় বুঝেছি, মানুষের স্মৃতিশক্তি বড়জোর ৪ ঘণ্টার হয়। তার পর তারা সব ভুলে যায়, তাই মিছেই কেন চিন্তা করব? গুঞ্জন মানলে তো আমার মেয়ে নাকি প্রতি তৃতীয় পুরুষের সঙ্গেই ডেট করছে, আর আমি প্রতি বছর নতুন করে বিয়ে করছি! ইন্টারনেটের তথ্য অনুযায়ী আমি নাকি ইতিমধ্যেই তিনবার বিয়ে করে ফেলেছি। যখন সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না এবং কিছু সাংবাদিক ভালো জিনিস লিখতে চাইতেন না, তখন এসব প্রভাব ফেলত। কারণ তারকাদের নিয়ে নেতিবাচক খবরই বেশি বিক্রি হয়। সেই সময় পার করে আসার পর এখন আর এসব নিয়ে ভাবিই না।”