হাওড়া শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তৃণমূলের রানা চট্টোপাধ্যায়কে ১৬০৫৮ ভোটে হারিয়েছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এই জয় নিয়ে দারুণ খুশি রুদ্রনীল ঘোষ। সোমবার অর্থাৎ ভোট গণনা শেষ হতেই রাতেই রুদ্রনীল ঘোষকে ফোন করেন টলিউডের বুম্বাদা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রসেনজিতের সঙ্গে কী কথা হল রুদ্রনীলের?
টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল জানান, ”২০২১ থেকে বড় করে যখন আমি, এই যে এক অদ্ভুত তালবানি কায়দায়, আইন মানি না, আমরা যা বলব, তাই হবে, সেটাই তৃণমূলের আইন এবং সংবিধান, যা অন্যায় হলেও মেনে চলতে হবে, যা কাজের জায়গায় তিনি শিল্পী হোক বা টেকনিশিয়ন হোন বা পরিচালক যে কেউ-ই হোক, তাঁদেরকে দূর করে দেওয়া হবে, তাঁদেরকে একঘোরে করে দেওয়া হবে, এই বিষয়টা নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম বলে, আমার বিরুদ্ধে টেকনিশিয়ানদের কালো ব্যাচ পরে মিছিল করিয়ে ছিল, বয়কট রুদ্রনীল। সেদিন টলিউডের অনেক পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, শিল্পী বন্ধুরা, চাইলেও আমার পাশে দাঁড়াতে পারেননি। যদি সেদিন দাঁড়াতেন, তাহলে প্রথাগতভাবে তৃণমূলের পছন্দ হচ্ছে না বলে, যোগ্য মুহূর্তের মধ্যে অযোগ্য হয়ে যাবে। তাঁর কাজ চলে যাবে, পেটের ভাত কেড়ে নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়াটা বাড়াতে সাহস পেয়েছিল তৃণমূলের দাদা বিশ্বাসরা। ফলত এই ধারাবাহিকতা বেড়েছে। লাগামহীন দুনীর্তি চলেছে টলিউডে। তৃণমূলের যা যা অন্যায় তার পক্ষে তোমায় থাকতে হবে কিংবা তাঁদের মিছিলে হাঁটতে হবে। কিংবা তোমায় মুখ বন্ধ করে পশ্চিমবঙ্গে সর্বক্ষেত্রে যে অন্যায় হচ্ছে, টলিউডে তোমায় সব মেনে নিয়ে থাকতে হবে, নাহলে তুমি বিভিন্ন কমেটিতে, বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে, ফিল্ম কত বেশি করে রোজগার করবে, সেই সব। জায়গায় তোমায় ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এই পদ্ধতির অবসান হল, এটা স্পষ্ট করে বলতে পারি।”
দেখুন Tv9Bangla-র সেই সাক্ষাৎকার-
এই সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল আরও জানান, সোমরাতেই তাঁকে ফোন করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ফোন করেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো টলিউডের শিল্পীরা। রুদ্রর কথায়, ”টলিউডের এই একই বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, আমরা বসব। এটা নিয়ে আলোচনা হবে। এই দীর্ঘ যন্ত্রণা আমার মতো বহু মানুষকে সহ্য করতে হয়েছে।”
হাওড়া শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তৃণমূলের রানা চট্টোপাধ্যায়কে ১৬০৫৮ ভোটে হারিয়েছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এই জয় নিয়ে দারুণ খুশি রুদ্রনীল ঘোষ। সোমবার অর্থাৎ ভোট গণনা শেষ হতেই রাতেই রুদ্রনীল ঘোষকে ফোন করেন টলিউডের বুম্বাদা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রসেনজিতের সঙ্গে কী কথা হল রুদ্রনীলের?
টিভি নাইন বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল জানান, ”২০২১ থেকে বড় করে যখন আমি, এই যে এক অদ্ভুত তালবানি কায়দায়, আইন মানি না, আমরা যা বলব, তাই হবে, সেটাই তৃণমূলের আইন এবং সংবিধান, যা অন্যায় হলেও মেনে চলতে হবে, যা কাজের জায়গায় তিনি শিল্পী হোক বা টেকনিশিয়ন হোন বা পরিচালক যে কেউ-ই হোক, তাঁদেরকে দূর করে দেওয়া হবে, তাঁদেরকে একঘোরে করে দেওয়া হবে, এই বিষয়টা নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলাম বলে, আমার বিরুদ্ধে টেকনিশিয়ানদের কালো ব্যাচ পরে মিছিল করিয়ে ছিল, বয়কট রুদ্রনীল। সেদিন টলিউডের অনেক পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, শিল্পী বন্ধুরা, চাইলেও আমার পাশে দাঁড়াতে পারেননি। যদি সেদিন দাঁড়াতেন, তাহলে প্রথাগতভাবে তৃণমূলের পছন্দ হচ্ছে না বলে, যোগ্য মুহূর্তের মধ্যে অযোগ্য হয়ে যাবে। তাঁর কাজ চলে যাবে, পেটের ভাত কেড়ে নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়াটা বাড়াতে সাহস পেয়েছিল তৃণমূলের দাদা বিশ্বাসরা। ফলত এই ধারাবাহিকতা বেড়েছে। লাগামহীন দুনীর্তি চলেছে টলিউডে। তৃণমূলের যা যা অন্যায় তার পক্ষে তোমায় থাকতে হবে কিংবা তাঁদের মিছিলে হাঁটতে হবে। কিংবা তোমায় মুখ বন্ধ করে পশ্চিমবঙ্গে সর্বক্ষেত্রে যে অন্যায় হচ্ছে, টলিউডে তোমায় সব মেনে নিয়ে থাকতে হবে, নাহলে তুমি বিভিন্ন কমেটিতে, বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে, ফিল্ম কত বেশি করে রোজগার করবে, সেই সব। জায়গায় তোমায় ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এই পদ্ধতির অবসান হল, এটা স্পষ্ট করে বলতে পারি।”
দেখুন Tv9Bangla-র সেই সাক্ষাৎকার-
এই সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল আরও জানান, সোমরাতেই তাঁকে ফোন করেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ফোন করেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো টলিউডের শিল্পীরা। রুদ্রর কথায়, ”টলিউডের এই একই বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, আমরা বসব। এটা নিয়ে আলোচনা হবে। এই দীর্ঘ যন্ত্রণা আমার মতো বহু মানুষকে সহ্য করতে হয়েছে।”