
সময়ের সঙ্গে হৃদয় দফতর বদলায়। চিঠি পায় অন্য কেউ, অথবা না পাওয়ার চিঠির ফাঁকে মন কেমনে গন্ধ লেগে থাকে অজান্তেই। একসময় তাঁদের টলিউডের পাওয়ার কাপল বলা হত। তাঁদের অর্থাৎ সন্দীপ্তা সেন ও রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে আছে বছর তিনেক আগে সন্দীপ্তার সঙ্গে এক ছবি দিয়ে রাহুল লিখেছিলেন, “আমার সব মন কেমনের ঠিকানা তুই।” সময় এগিয়েছে, পাল্টেছে সমীকরণ। ইন্ডাস্ট্রি সাক্ষী রাহুল ও সন্দীপ্তার সম্পর্ক আর আগের মতো নেই। স্বামী সৌম্যকে নিয়ে সন্দীপ্তার সুখের সংসার। ওদিকে রাহুলও ফিরে গিয়েছেন তাঁর পুরনো ভালবাসা প্রিয়াঙ্কা সরকারের কাছে। আগের মতো যোগাযোগ নেই দু’জনের। অকপট স্বীকারোক্তি রাহুলের। তাঁদের যোগাযোগ নাই থাকতে পারে তবে একদা এই হিট জুটিকে নিয়ে মানুষের মননে আলোচনার কিন্তু শেষ নেই। সন্দীপ্তার বিয়েতে রাহুলকে দেখা যায়নি? অভিমান? নাকি অন্য কোনও কারণ। মুখ খুলেছিলেন অভিনেতা।
নিবেদিতা অনলাইন নামক এক ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অকপটেই জানিয়েছিলেন সন্দীপ্তার বিয়ের দিন করেছিলেন ঠিক কী? তাঁর দাবি, “ওর বিয়ের সময় আমি ছিলাম না”। সন্দীপ্তা কী ছিলেন তাঁর? প্রেমিকা, বন্ধু নাকি অন্য কোনও সম্পর্ক? প্রশ্ন আসতেই রাহুলের উত্তর, “আমাদের নিয়ে যখন এত আলোচনা হয়েছে আমি বা সন্দীপ্তা আমরা কেউই কিন্তু স্বীকার করিনি আমরা সম্পর্কে আছি। আজ যখন সন্দীপ্তা অন্য কারও সঙ্গে ভাল আছে, তখন নতুন করে স্বীকার করার কিছু নেই যে আমি ওর প্রেমিক ছিলাম। আমরা বন্ধু ছিলাম। বা বন্ধুর চেয়ে বেশি ছিলাম। আর সম্পর্ক তো এলআইসি বন্ড নয় যে গ্যারান্টির সঙ্গে আসবে।”
ঠিক কী কারণে সন্দীপ্তার সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ভাঙল তা জানাতে চাননি কেউই। অতীত ঘেঁটে দেখার অভ্যেস নেই তাঁদের। তবে শোনা যায়, রাহুলের খারাপ সময়ে তাঁর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সন্দীপ্তা। নেশায় আসক্তি, সাংসারিক অশান্তি থেকে রাহুলকে মুক্ত করার সাহস জুগিয়েছিলেন তিনিই– শোনা যায় এমনটাই। প্রসঙ্গত, সন্দীপ্তার সঙ্গে ছন্দে মিল না হলেও রুকমা রায়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব আজও রয়েছে রাহুলের। রুকমাকে নিয়ে তাঁর অকপট বক্তব্য, “রুকমা আমাকে মজার মজার ভিডিয়ো পাঠায়। একটা ভীষণ গভীর বন্ধন আছে আমাদের।”