AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সইফ নন, দীপিকা-ডায়নার বিপরীতে ‘ককটেল’-এর অফার পেয়েছিলেন এই অভিনেতা?

২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মূল ছবিতে সইফ আলি খান, দীপিকা পাড়ুকোন এবং ডায়ানা পেন্টির সেই অনবদ্য রসায়ন আজও দর্শকদের নস্টালজিক করে তোলে। আধুনিক সম্পর্কের জটিলতা ও দোলাচলকে অত্যন্ত সহজ ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল 'ককটেল'। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ছবির মূল চরিত্র 'গৌতম'-এর ভূমিকার জন্য সইফ আলি খান কিন্তু নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ ছিলেন না।

সইফ নন, দীপিকা-ডায়নার বিপরীতে 'ককটেল'-এর অফার পেয়েছিলেন এই অভিনেতা?
| Updated on: Jun 20, 2026 | 1:00 PM
Share

শাহিদ কাপুর, রশ্মিকা মান্দানা এবং কৃতি শ্যানন অভিনীত ‘ককটেল ২’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মনে নতুন করে ভিড় করে আসছে এক যুগ আগের স্মৃতি। ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মূল ছবিতে সইফ আলি খান, দীপিকা পাড়ুকোন এবং ডায়ানা পেন্টির সেই অনবদ্য রসায়ন আজও দর্শকদের নস্টালজিক করে তোলে। আধুনিক সম্পর্কের জটিলতা ও দোলাচলকে অত্যন্ত সহজ ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল ‘ককটেল’। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ছবির মূল চরিত্র ‘গৌতম’-এর ভূমিকার জন্য সইফ আলি খান কিন্তু নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ ছিলেন না।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সইফ আলি খান নিজেই খোলসা করেছেন সেই অজানা ইতিহাস। তিনি জানান, ছবির দুই প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে দীপিকা ও ডায়ানা চূড়ান্ত হয়ে গেলেও, কিছুতেই উপযুক্ত নায়ক খুঁজে পাচ্ছিলেন না নির্মাতারা। সইফের কথায়, “ওরা দীপিকা আর ডায়ানাকে তো পেয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ছবির হিরো হিসেবে কাউকে রাজি করাতে পারছিল না। এর বড় কারণ বোধহয় এটাই ছিল যে, ছবিতে ভেরোনিকার (দীপিকার চরিত্র) চরিত্রটি এতটাই জোরালো ও আকর্ষণীয় ছিল যে অন্য চরিত্রগুলো তার সামনে ম্লান মনে হচ্ছিল।”

সইফ আরও বলেন, “আমার মনে আছে ওরা কার কার কাছে গিয়েছিলেন। আমার মনে হয় ইমরান (খান) আর রণবীরকে (কাপুর) এই চরিত্রের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া আরও কয়েকজনের কাছে যাওয়ার পর শেষমেশ আমি বলি, ‘ঠিক আছে চল, আমিই করছি।’ আর আমার মনে হয় ওদের সবারই আমাকে ধন্যবাদ জানানো উচিত যে আমি রাজি হয়েছিলাম। এটাই আসল গল্প। আমি কাজটা ভীষণ উপভোগ করেছিলাম। হোমি (আদাজানিয়া)-কে আমি খুব পছন্দ করি, ছবিটার শুটিংয়ের সময় আমাদের দারুণ সময় কেটেছিল।”

মজার বিষয় হল, রণবীর কাপুর নিজে তো ছবিটির প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেনই, উপরন্তু তিনি দীপিকা পাড়ুকোণকেও এই ছবিতে অভিনয় না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে দীপিকা নিজের মনের ডাক শোনেন এবং বলিউডের ইতিহাসে তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ও স্মরণীয় পারফরম্যান্সটি উপহার দেন। ছবি মুক্তির পর দর্শকরা এতটাই আপ্লুত হয়েছিলেন যে, ভালোবেসে তাঁরা ‘দীপিকা’র বদলে তাঁকে ‘ভেরোনিকা’ নামেই ডাকতে শুরু করেন। পরবর্তীতে রণবীর কাপুরও স্বীকার করেছিলেন যে, ছবিটির গুরুত্ব বুঝতে তাঁর নিজেরই ভুল হয়েছিল।

Follow Us