
সিনেমা থেকে রাজনীতির পথে এগিয়ে শতাব্দী রায় এক নায়িকা থেকে জননেত্রী। লোকসভায় দাঁড়িয়ে নিজের কনস্টিটিউন্সি নিয়ে নানা সুযোগের দাবি করেন। তবে আশি থেকে নয়ের দশকের বহু হিট ছবি উপহার দিয়েছিলেন তিনি। তাপস পাল থেকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে দারুণ ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছিলেন। রাজনৈতিক কার্যকলাপের মাঝে মাঝেই শতাব্দী রায় তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার তাঁর পুরনো সময়ের সিনেমা তৈরির নেপথ্যের নানা কাহিনি দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। সম্প্রতি তিনি তাঁর ফ্যানদের বলেন কিভাবে তাঁকেও নানা প্রতিবন্ধকতা পার করতে হয়েছে। তরুণ মজুমদারের থেকে ডাক পেয়েও প্রথম ছবি করতে পারেননি।
তবে তিনি নিরাশ হননি। খুব শীঘ্রই আবার পরিচালক তরুণ মজুমদার তাঁকে ডেকে পাঠায় ‘আপন আমার আপন’ ছবির কাজের জন্য। সাত বোনের গল্পে তিনিও একজন। খুব করে গিটার বাজানো শিখতে হবে শর্ত দেওয়া হয়। গল্প শুনে খুব ভালো লেগেছিল তাঁর, তবে তাঁর বিপোরীতে কে নায়ক , সেটা জিজ্ঞেস করার সাহস নেই তাঁর, তিনি অবশেষে তরুণ মজুমদারের অফিস থেকে বেড়িয়ে পরিচালকের সহযোগী ধ্রুবকে একটু ভয়ে ভয়ে প্রশ্ন করলেন, তাঁর বিপরীতে কে নায়ক? তাপস পাল নাকি প্রসেনজিৎ? উত্তরে সহযোগী বলেন, গল্প অনুযায়ী দুই জন অভিনেতাই তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন। এই কথা শুনে লাফিয়ে ওঠেন নায়িকা। তার মানে সেই প্রধান চরিত্র। এর পর এই ছবি যখন মুক্তি পায়, বক্স অফিসে দারুণ সফল হয়। পরবর্তী সময়ে এই ছবির গল্প নিয়েই নয়ের দশকের সুপারহিট হিন্দি ছবি তৈরি নাম ‘সাজন’। সলমন খান, মাধুরী দীক্ষিত সঞ্জয় দত্ত অভিনয় করেন। সেই ছবির গান আজও দর্শকদের প্রিয়।
শতাব্দী রায় বলেন, ” সেই সময় অনেক ছবি করলেও অল্প বয়স ছিল, তরুণদার মত পরিচালককে প্রশ্ন করতে পারতাম না। তাই সহযোগিতার কাছে জেনে বেশ আশ্বস্ত হয়েছিলাম।”