সানি লিওনের ১০ বছরের মেয়ের আবিষ্কার দেখে চোখ কপালে উঠল ফারহা খানের!

নিশার এই কাণ্ড দেখে ফারহা খান অবাক! মজার ছলে তিনি বলেই ফেললেন, "এসব দেখে তো মনে হচ্ছে বাড়ি গিয়ে নিজের বাচ্চাদের আচ্ছা করে ধোলাই দিই! আমার ছেলেমেয়েরাও যদি তাড়াতাড়ি কিছু একটা আবিষ্কার করত, তবে অন্তত ভবিষ্যৎটা নিশ্চিত হত।" সানি মজা করে বলেন, নিশার এই রোজগার দেখে তাঁর দুই ভাই আশের আর নোয়া এখন থেকেই হিংসে শুরু করেছে।

সানি লিওনের ১০ বছরের মেয়ের আবিষ্কার দেখে চোখ কপালে উঠল ফারহা খানের!
Image Credit source: youtube

Mar 02, 2026 | 6:08 PM

মুম্বইয়ের ধুলোবালিতে নাজেহাল অবস্থা খুদেদের। সানি লিওনের মেয়ে নিশা কৌর ওয়েবারেরও একই দশা। অ্যালার্জির চোটে সারাদিন হাঁচি হয় আর তাতেই দরকার পড়ে টিস্যুর। কিন্তু সেই টিস্যু ব্যবহার করে যেখানে-সেখানে ফেলে রাখা নিয়েই যত অশান্তি! মা সানির নিত্যদিনের বকুনি- “এত অলস কেন? টিস্যুটা ডাস্টবিনে ফেলো!” মায়ের এই বকুনিই যে শেষ পর্যন্ত ব্যবসার আইডিয়া হয়ে দাঁড়াবে, তা বোধহয় সানি নিজেও ভাবেননি। মাত্র ১০ বছর বয়সেই নিশা বানিয়ে ফেলেছে এক অভিনব টিস্যু বক্স, যা এখন আমাজনে দেদার বিক্রি হচ্ছে। নাম তার ‘বু বক্স’ (Boo Box)।

সম্প্রতি সানি লিওনের বাড়িতে আড্ডা দিতে গিয়েছিলেন পরিচালক ফারহা খান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের রাঁধুনি দিলীপ। সেখানেই কথায় কথায় উঠে আসে সানি ও ড্যানিয়েলের তিন সন্তান- নিশা, আশের এবং নোয়ার কথা। সানি গর্ব করে ফারহাকে জানান, নিশা শুধু বুদ্ধিমান নয়, সে রীতিমতো একজন আবিষ্কর্তাও বটে। সে এমন একটি টিস্যু বক্স বানিয়েছে যার পেটেন্ট পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। নিজের উদ্ভাবনী ক্ষমতা দিয়ে ১০ বছর বয়সেই রোজগার শুরু করে দিয়েছে এই একরত্তি।

কী এই ‘বু বক্স’?

গল্পটা বেশ মজার। সানি জানান, রোজকার টিস্যু ফেলার ঝামেলা মেটাতে একদিন নিশা নিজেই বুদ্ধি খাটায়। সে একটা সাধারণ টিস্যু বক্সের গায়ে একটা ডিসপোজেবল কাপ স্কচ টেপ দিয়ে আটকে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল টিস্যু বের করো, ব্যবহার করো আর পাশের ওই কাপেই ফেলে দাও। সানি যখন প্রথম এটা দেখেন, তাঁর বেশ মজাদার মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁরা বুঝতে পারেন, ছোট বাচ্চাদের জন্য এটি অত্যন্ত কাজের। এই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় ‘বু বক্স’, যা এখন ৯৯৯ টাকায় আমাজনে পাওয়া যাচ্ছে।

নিশার এই কাণ্ড দেখে ফারহা খান অবাক! মজার ছলে তিনি বলেই ফেললেন, “এসব দেখে তো মনে হচ্ছে বাড়ি গিয়ে নিজের বাচ্চাদের আচ্ছা করে ধোলাই দিই! আমার ছেলেমেয়েরাও যদি তাড়াতাড়ি কিছু একটা আবিষ্কার করত, তবে অন্তত ভবিষ্যৎটা নিশ্চিত হত।” সানি মজা করে বলেন, নিশার এই রোজগার দেখে তাঁর দুই ভাই আশের আর নোয়া এখন থেকেই হিংসে শুরু করেছে। ওদের ভয়, দিদি তো বড়লোক হয়ে যাচ্ছে, এখন সবকিছুর জন্য দিদির কাছেই হাত পাততে হবে!

সানি ও ড্যানিয়েলের অভিভাবকত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফারহা। দত্তক নেওয়া কন্যা নিশাকে যে স্বচ্ছতা ও ভালোবাসার সঙ্গে সানি বড় করছেন, তা দেখে মুগ্ধ পরিচালক। নিশার আঁকা ছবি থেকে শুরু করে বাড়ির সৃজনশীল পরিবেশ- সানির অন্দরমহলের এই ঝলক প্রমাণ করে দিয়েছে যে তিনি একজন ভীষণ যত্নশীল মা। ১০ বছরের নিশা আজ শুধু সানির মেয়ে নয়, নিজের প্রতিভায় সে এখন খুদে উদ্যোক্তা।