
বিধু বিনোদ চোপড়া পরিচালিত ছবি টুয়েলভ ফেইল সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সর্বাধিক চর্চিত ছবি। ২০২৩ সালের শেষএর দিকে মুক্তি পাওয়া এই ছবি বড়পর্দায় যতনা ঝড় তুলেছিল, তার থেকে বেশি সকলের নজর কেড়েছিল ওটিটিতে মুক্তি পাওয়ার পর। দর্শকদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এই ছবি, প্রশংসিত হয় বিক্রান্ত মেসির অভিনয়। তবে ব্যক্তিজীবনেও কম ঝড়ের সম্মুখীন হননি তিনি। এই ছবি যতটা লড়াইয়ের গল্প বলে, বিক্রান্তের ব্যক্তি জীবনেও ঠিক ততটা লড়াই জড়িয়ে রয়েছে। তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটা সময় মোটেও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ছিলেন না তাঁরা। এক বন্ধু তাঁর বাড়ির অবস্থা নিয়ে চ্য়াট গ্রুপে মজা করায় তা গায়ে লাগে অভিনেতার। তিনি বলেন, এক ঘটনা যটে, যেখানে আমি আমার বন্ধুদের ডেকে পাঠিয়ে ছিলাম আমার বাড়িতে, নিজের বন্ধুরা, খুব কাছের বন্ধুরা সেদিন এসেছিল। এই জন্য ডেকেছিলাম, যে আমি আমার বাড়ি নিয়ে গর্ব বোধ করতাম, আমার বাড়ি, আমার কাছের। আমার মা ভীষণ ভাল খাবার বানান। তাই বলেছিলাম, বাড়িতে আসতে। ওরা এসে যখন দেখে, ওদের মত অনুযায়ী আমাদের রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন ছিল না, দেওয়াল থেকে চুন খসে পড়ছে, বাড়িতে পালস্টিকের চেয়ার, মুহূর্তে আমার প্রতি ওদের ব্যবহার পাল্টে যেতে শুরু করে। পরের দিন তাঁকে নিয়ে লেখা বহু চ্যাট তাঁকে খুলে দেখানো হয়। যা মন ভেঙে দেয় তাঁর। আর সেখান থেকে তিনি সাড়ে চার কোটির মালিক হয়ে ওঠেন দ্রুত।’
ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা অভিনয় দক্ষতার জেরে বেশ কিছু বছরের মধ্যেই বিক্রান্ত নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন। শীতলের সঙ্গে তার সম্পর্ক আজকের নয়। ২০১৫ সালে শুরু হয়েছিল তাদের প্রেম কাহিনি। প্রথমে বন্ধুত্ব এরপর প্রেম আর তারপর যা হয় … ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সাত পাকে বাঁধা পড়েন তাঁরা। ছিমছম করেই হয়েছিল সেই বিয়ের অনুষ্ঠান। অফ হোয়াইট শেরওয়ানিতে সেজেছিলেন বিক্রান্ত ওদিকে শীতল পরেছিলেন লাল রংয়ের লেহেঙ্গা। বিয়ের ছবি শেয়ার করেছিলেন প্রথমে বিক্রান্তই। লিখেছিলেন, “৭ বছরের এই জার্নি সাত জন্মের হয়ে গেল। এই সফরনামায় আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ সবাইকে।আমাদের তরফ থেকেও আপনাদের অনেক অনেক ভালোবাসা।”