
৪ মে বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড় বয়েছে। এরই মধ্যে ইমপা-কে একটি চিঠিতে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মিটিং ডাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর বিশেষ আলোচনার জন্য এই মিটিং ডাকা প্রয়োজন। এই চিঠিতে সাক্ষর করেছেন রতন সাহা, মিলন ভৌমিক, কৃষ্ণ নারায়ণ দাগা, গৌতম দাস, কবিতা নষ্কর, মৃত্যুঞ্জয় রায় এবং শতদীপ সাহা।
সেই চিঠি পাওয়ার পর ইমপা কি কোনও মিটিং ডাকছে? সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত TV9 বাংলাকে জানালেন, ”ইমপা-র সেক্রেটারিকে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি মিটিং ডাকতে পারেন না। ইমপা-তে মিটিং ডাকতে হলে, অন্তত ১৪ দিন সময় দিতে হয়। আর এমার্জেন্সি মিটিং ডাকতে হলে, নির্দিষ্ট শতাংশ মেনে সদস্যদের সম্মতি প্রয়োজন। চিঠিতে কোনও নির্দিষ্ট বিষয়েরও উল্লেখ ছিল না, যে বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন। তাই এখনও কোনও মিটিং ডাকা হয়নি। তবে মিটিংয়ের প্রয়োজন হলে, তা ইমপা-র নিয়ম মেনেই ডাকা হবে।”
টলিপাড়ায় চর্চা, তৃণমূল কংগ্রেসের হারের পর ইমপা-র সভাপতির পদ থেকে পিয়া সেনগুপ্তকে সরতে হবে…এটা কি ঠিক? প্রশ্ন শুনে পিয়া বললেন, ”ইমপা কোনও রাজনৈতিক সংগঠন নয়। যখন যে রাজনৈতিক দল সরকারে এসেছে, তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে আমরা এই সংগঠন চালিয়েছি। রাজ্যে বিজেপির সরকারকেও আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। ইমপা-তে কে কোন পদে থাকবেন, তা নির্ধারণ হয় নির্বাচনের মাধ্যমে। অতীতে এই নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার পর আইনি লড়াই শুরু হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ মেনে নির্বাচন হয়। তারপর স্থির হয়, কে কোন পদে থাকবেন। কাউকে পদ থেকে সরে যেতে হতে পারে। তবে সেটা নতুন করে নির্বাচন যখন হবে, তখন ঠিক হবে।”
এখন ইমপা-র কমিটি নতুন করে গড়ে ওঠে কিনা, সেখানে মাথায় কে বসবেন, তা দেখার অপেক্ষা।