EYE Protection: গর্বের চোখ দূষণ থেকে কী ভাবে সুরক্ষিত রাখবেন? রইল তথ্য…
Air pollution: এর থেকে এড়িয়ে চলা খুবই মুশকিল। দৈনন্দিন জীবনে সকলকেই বেরোতে হয়। বাইরে বেরোলে, দূষণের মধ্যে যে পড়তেই হবে, এ আর নতুন কী! কোথাও দূষণের পরিমান একটু কম, কোথাও বা অনেকটাই বেশি। এটাই পার্থক্য।

অনেকেরই চোখ নিয়ে গর্ব থাকে। দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় অনেকেরই। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সমস্যা তৈরি হতে থাকে। শুধু যে কোনও রোগ কিংবা বয়সজনিত কারণেই এমন হয়, তা নয়। চারপাশের দূষণ চোখের বড় শত্রু। বায়ুদূষণের কারণে নানা সমস্যাই হয়। তেমনই চোখেরও ক্ষতিও হয়। এমনকি ঘরবন্দি থাকলেও এই সমস্যা হতে পারে! এর থেকে এড়িয়ে চলা খুবই মুশকিল। দৈনন্দিন জীবনে সকলকেই বেরোতে হয়। বাইরে বেরোলে, দূষণের মধ্যে যে পড়তেই হবে, এ আর নতুন কী! কোথাও দূষণের পরিমান একটু কম, কোথাও বা অনেকটাই বেশি। এটাই পার্থক্য।
বায়ুদূষণ যে শুধুমাত্র ফুসফুসের সমস্যার বড় কারণ তা নয়। চোখেও নানা প্রভাব ফেলে। এর পরিচিত উপসর্গ যেমন-চোখ শুকিয়ে যাওয়া, লাল হয়ে থাকে, চোখে চুলকানির মতো হয়। কনজাঙ্কিটিভাইটিস, ছানি পড়া, বয়সজনিত কারণে এমন হলে সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু দূষণের জন্য হলে? ভাবনার কথাই। এর থেকে বাঁচার উপায়ও রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, কিছু সহজ বিষয় খেয়াল রাখলেই বায়ুদূষণের হাত থেকে চোখের বড় ক্ষতি আটকানো যায়।
কী ভাবে?
- দূষিত জায়গা অর্থাৎ বাইরে যতটা সম্ভব কম সময় কাটানো যায়।
- সানগ্লাস কিংবা প্রোটেক্টিভ গ্লাস ব্যবহার করা।
- পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাত ধোয়া। কারণ, অনেক সময়ই চোখে হাত দিয়ে থাকেন।
- যদি চোখ লাল হওয়া, চুলকানির মতো ভাব, দৃষ্টি ঝাঁপসা হওয়ার মতো পরিস্থিতি হয় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- চোখ শুকনো লাগলে, বা লাল হয়ে গেলে, কিংবা চুলকানির মতো ভাব হলেও চোখ না ঘষাই শ্রেয়।
