Milk Product Benefits: ঘি থেকে চিজ়—ডায়েটে দুগ্ধজাত পণ্য রাখা কতটা দরকার?

Health Benefits: দুধ-ছানা দেখলেই নাক সিঁটকান। অথচ চিজ় দেওয়া পিৎজ়া খেলে ভালবাসেন। চিজ় পিৎজ়ায় মিশিয়ে খেলে কোনও উপকার পাওয়া যায় না। কিন্তু আপনি যদি দুধ, ছানার সঙ্গে অল্প পরিমাণে চিজ় খান, উপকার মিলবে গুণে-গুণে। কিন্তু কোন দুগ্ধজাত পণ্য কতটা পরিমাণ খাবেন, রইল টিপস।

Milk Product Benefits: ঘি থেকে চিজ়—ডায়েটে দুগ্ধজাত পণ্য রাখা কতটা দরকার?
শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে কিডনিতে পাথর জমতে পারে। তাই বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খেতে হবে। প্রতিদিনের ডায়েটে দুধ, দই, ঘি ইত্যাদি দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য রাখুন

| Edited By: megha

Mar 22, 2024 | 8:45 AM

দুধ-ছানা দেখলেই নাক সিঁটকান। অথচ চিজ় দেওয়া পিৎজ়া খেলে ভালবাসেন। চিজ় পিৎজ়ায় মিশিয়ে খেলে কোনও উপকার পাওয়া যায় না। কিন্তু আপনি যদি দুধ, ছানার সঙ্গে অল্প পরিমাণে চিজ় খান, উপকার মিলবে গুণে-গুণে। অনেকেই হয়তো জানেন, দুধ হল পুষ্টির ভাণ্ডার। আর এই সুপারফুড থেকেই চিজ়, ছানা, দই, লস্যি, ঘি, মাখনের মতোই খাবার তৈরি হয়। কিন্তু অত্যধিক পরিমাণে ঘি-মাখন, চিজ় খেলেই বিপদ। তাই কোন খাবার খেলে কী উপকার পাবেন, তা জেনে রাখা দরকার। তবেই, আপনার ডায়েট ব্যালেন্সড হবে।

দুধ: উচ্চ পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন ডি পাওয়া যায় দুধের মধ্যে। এছাড়াও এই পানীয়ের মধ্যে ফসফেট ও পটাশিয়াম রয়েছে। চা-কফির মধ্যে দুধ মিশিয়ে খাওয়ার বদলে, দুধে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। চেষ্টা করুন লো-ফ্যাট দুধ খাওয়ার।

চিজ়: চিজ়ের মধ্যেও প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। এছাড়াও ভিটামিন এ, বি১২ এবং জিঙ্কের মতো উপাদানও রয়েছে চিজ়ে। বাড়িতে তৈরি পিৎজ়া, পাস্তা, স্যান্ডউইচের মতো খাবারে চিজ় মিশিয়ে খেতে পারেন।

দই: ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের পাশাপাশি দইয়ের মধ্যে প্রোবায়োটিক রয়েছে। এই খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অন্ত্রে ভাল ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে টক দই। টক দইয়ের সঙ্গে ওটস, ফল মিশিয়ে খেতে পারেন। কিংবা, স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন। কিন্তু চিনি মেশাবেন না।

ঘি: দেশি ঘি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ঘিয়ের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে ফ্যাট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। ঘিয়ের মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হার্টের জন্য উপযুক্ত। ডায়েটে অল্প পরিমাণ ঘি রাখলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে না।

মাখন: ঘিয়ের মতো মাখনের মধ্যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। যদিও স্যাচুরেটেড ফ্যাটও রয়েছে। তাই অল্প পরিমাণে মাখন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যে কোনও রান্নায় আপনি মাখন ও ঘি ব্যবহার করতে পারেন।

যে কারণে দুগ্ধজাত পণ্য ডায়েটে রাখবেন:

১) দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য হাড়ের স্বাস্থ্য গঠনে সহায়তা করে। দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম রয়েছে। এগুলো মজবুত ও শক্তিশালী হাড় গঠনে সাহায্য করে।

২) ফল ও শাকসবজির পাশাপাশি দুগ্ধজাত পণ্য রাখুন। এতে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি এড়াতে পারবেন।

৩) অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য প্রোবায়োটিক দরকার। আর পুষ্টি টক দই থেকে পাওয়া যায়। টক দই খেলে হজমজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us