মাংস বা মশলাদার খাবার খেলেই পেটের যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়? পিত্তথলিতে পাথর জন্মায়নি তো!

Gallstone Symptoms: দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকলে গল ব্লাডারে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এই কারণে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর অন্তর অল্প পরিমাণে খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এতে হজম স্বাস্থ্য ভাল থাকে। কমবয়সিদের মধ্যে এখন এই গল ব্লাডারে পাথরের সমস্যা খুব কমন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাংস বা মশলাদার খাবার খেলেই পেটের যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়? পিত্তথলিতে পাথর জন্মায়নি তো!

|

Jan 23, 2024 | 1:23 PM

কাজের চাপে খাওয়ার কথা ভুলে যান? কখনও দুপুর ২টোয় লাঞ্চ সারেন, আবার কোনও দিন বিকেল ৪টেও বেজে যায়। খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম শরীরের উপর চাপ সৃষ্টি করে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়া না করলে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। সবচেয়ে বেশি হজমের গোলমাল দেখা দেয়। প্রায় দিনই পেটে ব্যথা, পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া, চোঁয়া ঢেকুর দেওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। অনেকেই হয়তো প্রাথমিক স্তরে বুঝতে পারেন না, কিন্তু পরীক্ষা করা ধরা পড়ে যে পিত্তথলিতে পাথর জন্মেছে। আজকাল বিভিন্ন বয়সের মানুষ এই গল ব্লাডারে স্টোনের সমস্যায় ভুগছেন।

দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকলে গল ব্লাডারে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এই কারণে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর অন্তর অল্প পরিমাণে খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এতে হজম স্বাস্থ্য ভাল থাকে। এছাড়াও যদি ওজন বেড়ে যায়, তখন চাপ পড়ে পিত্তথলির উপর। কমবয়সিদের মধ্যে এখন এই গল ব্লাডারে পাথরের সমস্যা খুব কমন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলেও পিত্তথলির পাথর বেশ ভোগায়।

পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে গেলে সঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়া করা জরুরি। তার সঙ্গে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। এছাড়া দেহে জলের ঘাটতি হতে দিলে চলবে না। আর যদি আপনার ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু কোন লক্ষণে বুঝবেন যে গল ব্লাডারে পাথর জন্মেছে? এরও কিছু প্রাথমিক উপসর্গ রয়েছে।

১) মশলাদার কিংবা মাছ-মাংস বেশি খেলেই পেটের যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। পেটের উপরিভাগে তীব্র যন্ত্রণা হয়।

২) পেটের যন্ত্রণার পাশাপাশি বমিও হয়। আবার অনেক সময় কাঁপুনি দিয়ে জ্বর চলে আসে।

৩) গল ব্লাডারে পাথর হলে পেটের ডান দিন তীব্র ব্যথা হয়। বুকের ঠিক নীচে পেটের মাঝখানেও তীব্র ব্যথা হতে থাকে। অনেকের কাঁধে ও পিঠে যন্ত্রণা হয়।

৪) গল ব্লাডারে পাথর জন্মালে জন্ডিসের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। সেক্ষেত্রে চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, বমি, খিদে না পাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

৫) প্রস্রাবের রং দেখেও বুঝতে পারবেন গল ব্লাডারে পাথরে হয়েছে কিনা। গাঢ় খয়েরি রঙের প্রস্রাব হলে বুঝবেন পিত্তথলিতে পাথর জমেছে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

Follow Us