
পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, শরীরের জন্য যাতে পুষ্টিতে কোনও ঘাটতি না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে- বার বার একই কথা বলেন পুষ্টিবিদরা। পুষ্টিকর খাবার শরীরের জন্য ভাল কিন্তু এই পুষ্টির অর্থ আদৌ সকলে বুঝতে পারেন তো? আমরা যা খাবার খাই তাই আমাদের অন্ত্রের মাধ্যমে শোষিত হয়। যে সব কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার আমরা খাই তা অন্ত্রের মাধ্যমে ভেঙে যায়। এখান থেকেই সারা শরীরে পুষ্টি সরবরাহ হয়। খাবার থেকেই আমরা প্রয়োজনীয় শক্তি পাই। তাই কী খাওয়া হচ্ছে, কীভাবে খাওয়া হচ্ছে আর কখন খাওয়া হচ্ছে- এই তিনটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে খাবার না খেলে শরীর কোনও রকম পুষ্টি পায় না।
খাবার চিবিয়ে খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে খাবার ছোট ছোট টুকরো হয়। আর খাবার চিবিয়ে খেলে মুখের মধ্যে প্রয়োজনীয় উৎসেচক তৈরি হয়। এতেই খাবার হজম হয়। অনেকেই খাবার না চিবিয়ে সরাসরি গিলে ফেলে। এতে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা থেকে যায়। তাই খাবার চিবিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে খান।
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রোজকার তালিকায় বেশি করে রাখতে হবে। কারণ এই ফাইবার আমাদের অন্ত্রের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় না, গ্যাস-অ্যাসিডিটিও হবে না। আর ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে যে কারণে আমাদের খিদেও অনেক কম পায়।
রোজ নিয়ম করে জল খেতে হবে। যত বেশি জল খাওয়া হবে ততই তা আমাদের শরীরের জন্য ভাল। এতে শরীর হাইড্রেট থাকে। শরীরে পুষ্টি শোষণেও সাহায্য করে জল। পাশাপাশি স্যুপ জাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে। দিনের মধ্যে অন্তত দু কাপ গ্রিন টি খান।
রোজ প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার খান। অন্ত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হল এই প্রোবায়োটিক। হজমের জন্যও তা ভাল।
রোজ একবাটি করে অঙ্কুরিত ছোলা, মুগ খান। এসব ভিজিয়ে খেলে শরীরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যায়। আর ডালও রান্না করার আগে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখবেন। এতে ডাল সেদ্ধ হবে তাড়াতাড়ি আর হজমও হবে।
সঠিক খাবার খান, ঘরে তৈরি খাবার বেশি করে খান। দই, চিঁড়ে, মুড়ি, কলা এসব খান। বাইরের ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড একেবারেই নয়। বাড়ির ভাত, ডাল, সবজি, মাছ, মাংস খেয়েই সুস্থ থাকুন।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।