
ওজন কমাতে কেউ ট্রেডমিলে দৌড়াচ্ছেন, আবার কেউ ক্যালোরি মেপে খাবার খাচ্ছেন। আবার সময়ের অভাবে অনেকেই খুঁজছেন ‘শর্ট কাট’। কিন্তু এক্ষেত্রে জেনে রাখা দরকার তাড়াতাড়ি ওজন কমানোর কোনও উপায় নেই। বরং এই ‘শর্ট কাট’ ফলো করতে গিয়ে আপনি নিজের ক্ষতি করে ফেলেন। পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন কমাতে গিয়ে ছোটখাটো অনেক ভুল করে ফেলেন, যার জন্য পরে বড় মাশুল গুনতে হয়। আর এতে ওজন কমেই না। কোন ভুলগুলো এক্কেবারেই করা উচিত নয়, দেখে নিন।
১) একবেলা খাবার না খাওয়া: কেউ ব্রেকফাস্ট করেন না। আবার কেউ দিনে একবেলা ভারী খাবার খান। ভাবছেন, শরীরে কম ক্যালোরি ঢুকছে, তাই জিমে গিয়ে কসরতও কম করতে হবে। এটা কিন্তু স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছেন। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দেহে একাধিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে।
২) ফ্যাট বাদ দেওয়া: ফ্যাটযুক্ত খাবার খেলেই ওজন বেড়ে যাবে—এই ধারণা মনে পুষে রেখে ফ্যাট বাদ দিচ্ছেন। জেনে রাখা ভাল যে, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট কোলেস্টেরল কমাতে, হার্টকে ভাল রাখতে এবং দেহের এনার্জি লেভেল বাড়াতে সাহায্য করে। আপনাকে শুধু মাটন, তেলযুক্ত খাবার ছেড়ে বাদাম, বীজ, মাছ ইত্যাদি খেতে হবে। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে।
৩) প্রাণীজ প্রোটিনের পরিপূরক উদ্ভিজ্জ প্রোটিন: অনেকেই চিকেন, মাছ, ডিম ছেড়ে বিভিন্ন ধরনের ডাল, দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়া শুরু করেন। প্রাণীজ প্রোটিনের পরিপূরক কখনওই উদ্ভিজ্জ প্রোটিন হয় না। দুটো খাবারের কাজ সম্পূর্ণ আলাদা। সুতরাং, চেষ্টা করুন ডায়েটে দু’ধরনের প্রোটিনই রাখার।
৪) চিনির বদলে গুড়, মধুর ব্যবহার: স্বাস্থ্যের কথা ভেবে, ওজন কমানো জন্য ডায়েট থেকে চিনি সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়েছেন। তার বদলে বেছে নিয়েছেন মধু, গুড়ের মতো প্রাকৃতিক সুইটনার। কিন্তু এসব খাবারে শর্করা রয়েছে। তাই বুঝেশুনে খেতে গুড়, মধু। খুব বেশি খেলে সুগার লেভেল ও ওজন বাড়বে।
৫) স্বাস্থ্যকর খাবার মানেই খরচসাপেক্ষ: ওজন কমাতে অ্যাভোকাডো, ব্রাউন রাইসই যে খেতে হবে, এমন কোনও নিয়ম নেই। মরশুমি শাকসবজি, ফল, রোজকারের খাবার খেয়েই ওজন কমানো যায়। ঠিকমতো ডায়েট প্ল্যান বানিয়ে বাজার করলে খরচ কম হবে।