AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sonam Kapoors diet plan: ডায়াবেটিস থাকা সত্ত্বেও মা হওয়ার পর ২০ কেজি ওজন কমিয়েছেন সোনম কাপুর, কেমন তাঁর ডায়েট?

Postpartum Weight Loss: ১৭ বছর বয়স থেকেই টাইপ ১ ডায়াবেটিসের শিকার সোনম। এই অটোইমিউন ডায়াবেটিস ছোট বয়স থেকেই বাড়তে থাকে। এতে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন উৎপাদন একেবারে বন্ধ হয়ে যায় বা হলেও খুব কম হয়। সেই সঙ্গে বিপাক একদম কমে যায়

Sonam Kapoors diet plan: ডায়াবেটিস থাকা সত্ত্বেও মা হওয়ার পর ২০ কেজি ওজন কমিয়েছেন সোনম কাপুর, কেমন তাঁর ডায়েট?
| Updated on: Jan 31, 2024 | 12:51 PM
Share

ফ্যাশন সেন্সে বরাবর মুগ্ধ করেন সোনম কাপুর। বলিউডে অভিনেত্রী ছাড়াও তাঁর আরও একটি সত্ত্বা আছে তা হল ফ্যাশনিস্তা। ফ্যাশন নিয়ে সোনম নিজে যেমন পড়াশোনা করেছেন তেমনই ফ্যাশন সচেতনও তিনি। একই সঙ্গে সোনম ভীষণ রকম ফিটনেস ফ্রিক। রোজ নিয়ম করে শরীরচর্চা করেন সেই সঙ্গে ডায়েটও রয়েছে। ছোট থেকেই টাইপ ১ ডায়াবেটিসের শিকার অভিনেত্রী সোনম কাপুর। মাত্র ১ বছর আগেই মা হয়েছেন সোনম। আর মা হওয়ার পর ১ বছরে ২০ কেজি ওজন কমিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছেন তিনি। এই ওজন কমাতে মোট ১৬ মাস অর্থাৎ এক বছর চার মাস সময় লেগেছে তাঁর। এই সময়ের মধ্যেই অসাধ্য সাধন করে ফেলেছেন অভিনেত্রী। কোনও রকম ক্রাশ ডায়েট নয়। একেবারে ওয়ার্কআউট আর ডায়েটের মাধ্যমেই এই অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলেছেন তিনি।

দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ১৭ বছর বয়স থেকেই টাইপ ১ ডায়াবেটিসের শিকার সোনম। এই অটোইমিউন ডায়াবেটিস ছোট বয়স থেকেই বাড়তে থাকে। এতে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন উৎপাদন একেবারে বন্ধ হয়ে যায় বা হলেও খুব কম হয়। সেই সঙ্গে বিপাক একদম কমে যায়। আক্রান্তকে ইনসুলিন উৎপাদনের সঙ্গে লড়াই করতে হয় ১২ বছর বয়স থেকেই ওজন বাড়তে শুরু করে সোনমের। ১৫ বছর বয়সে এসে তার ওজন প্রচুর বেড়ে যায়। ২০০৭- এ সাওয়ারিয়া সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সোনমের কাছে প্রস্তাব গিয়েছিল। আর সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর ওজন কমানোর জার্নি। নির্দিষ্ট ডায়েট মেনে রোজ ৩ ঘন্টা করে যোগব্যায়াম করে ২ বছরের মধ্যে নিজেকে সম্পূর্ণ ফিট তৈরি করে নিয়েছিলেন।

রোজ নিয়ম করে ২ ঘন্টা ওয়ার্ক আউট করেন সোনম। জিমেও যেমন যান তেমনই বাড়িতেও শরীরচর্চা করেন। ওয়েট ট্রেনিং এর পাশাপাশি কার্ডিয়ো, সাঁতার, যোগা, স্কোয়াট এসবও নিয়ম করে করেন। এখন তিনি একেবারে ফিট অ্যান্ড ফাইন কিন্তু একদিনের জন্যেও শরীরচর্চায় খামতি দেন না। রোজ ২ ঘন্টা করে শরীরচর্চা করেন।

দিনের শুরুতেই সোনম খান মধু-লেবু মেশানো একগ্লাস ইষদুষ্ণ জল। এরপর ব্রেকফাস্টে খান মরশুমি ফল, ডিমের সাদা অংশের ওমলেট, একটা টোস্ট আর একগ্লাস ইষদুষ্ণ জল। ব্রেকফাস্টে মাঝে মধ্যে উপমা, ইচলি, পোহা এসবও খান

লাঞ্চের আগে তিনি প্রোটিন শেক খান। এরপর লাঞ্চে থাকে চিকেন, ফল, দই, শাক-সবজি, জোয়ার বা বাজরের রুটি। রাতের খাবারে স্যালাড, চিকেন, চিকেন স্যান্ডউইচ বা সবজি সেদ্ধ খান। কখনও ককনও তরকারি আর একটা মাছ ভাজা খান

বরাবরই চিনি থেকে দূরে থাকেন তিনি। রেড মিট, নুন, চিনি এসব ছুঁয়েও দেখেন না। চিনি তো একেবারেই খান না। খিদে পেলে প্রোটিন শেক বা সোয়া মিল্ক খান।

Follow Us