
হাই কোলেস্টেরলের সমস্যা এখন প্রচুর মধ্যে দেখা যাচ্ছে। এমনকি কম বয়সি যুবক-যুবতীদের মধ্যেও এই সমস্যা ক্রমবর্ধমান। শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের পরিমাণ যখন শরীরে বেড়ে গেলে হয় হাই কোলেস্টেরলের সমস্যা। তা হলেই হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগের হানাদারি শুরু হয় শরীরে। যার পরিণতি কম সময়ের মধ্যেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। তাই কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক। শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ মাত্রাছাড়া পর্যায়ে পৌঁছে গেলে ওষুধ খেতেই হবে। কিন্তু সমস্যার শুরুতে ধরা পড়তে বেশ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতেতেই তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
শরীরের সব সমস্যাতেই যদি মুঠো মুঠো ওষুধ খাওয়া মোটেই কাজের কথা নয়। কিন্তু আয়ুর্বেদে বিভিন্ন উপায়ের কথা বলা আছে। এমনকি রান্নাঘরের বিভিন্ন জিনিস দিয়েই বড় বড় রোগের মোকাবিলা করা সম্ভব, কেবল উপায় জানলেই হল। যেমন উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় দারুণ উপযোগী তেঁতুল এবং দারুচিনি। উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীরা এই দু’টি জিনিস সঠিকভাবে সেবন করলে কয়েক দিনের মধ্যেই ভালো ফল পাবেন। কিন্তু কীভাবে তা ব্যবহার করতে হবে, তা জানা প্রয়োজন।
গ্রাম বাংলায় তেঁতুল গাছ কিছু কম নেই। একটু গ্রামের দিকে গেলেই এই গাছের দেখা মেলে। তেঁতুল বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। যাঁরা টক খেতে ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে তেঁতুলের আলাদা কদর রয়েছে। হাই কোলেস্টেরলে নিয়ন্ত্রণে ত্রাতা হতে পারে তেঁতুলই। তেঁতুলের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। সেই গুঁড়ো গরম জলে মিশিয়ে রোজ সকালে খান। এই মিশ্রণ নিয়মিত সেবনে প্রচুর উপকার পাবেন।
তেঁতুলের পাশাপাশি দারুচিনি দিয়েও কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি মিলতে পারে। দারুচিনি পিষে গুঁড়ো বানিয়ে সকালে খালি পেটে এক চিমটি গুঁড়ো কুসুম গরম জলের সঙ্গে খেতে হবে। এতে কোলেস্টেরল দ্রুত কমে যাবে এবং শরীরে অন্যান্য উপকার হবে। তবে দারুচিনি এক চিমটের বেশি রোজ খাওয়া উচিত নয়। এ সবের পাশাপাশি কোলেস্টেরলের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ভালো জীবনধারা অনুসরণ করা খুবই জরুরি।