
অনেকেরই টাক পড়া জেনেটিক হয়ে থাকে। কিন্তু সময়ের আগেই তা হচ্ছে না তো! পুরুষদের ক্ষেত্রে এটা বোঝা কঠিন কাজ। বেশির ভাগের ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত ব্যস্ততার কারণে পুরুষরা নিজেদের চেহারার প্রতি যত্নশীল হন না। কেউ বা অবহেলাও করেন। পরে অস্বস্তিতে ভোগেন। নানা চিকিৎসার মাধ্যমে আটকানোর চেষ্টা করলেও সব ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান হয় না। চুল পড়া সাধারণ ব্যাপার মনে হতেই পারে। কিন্তু সেটা অতিরিক্ত না তো! কী করে বুঝবেন, টাক পড়তে শুরু করেছে?
চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়া টাক পড়ার অন্যতম উপসর্গ। শুধু ঘনত্ব কমে যাওয়া বললে হয়তো ভুল হবে, অনেক সময়ই আগের তুলনায় চুল সরু হয়ে যায়। দুর্বল হয়ে পড়ে। এটিকে অবহেলা করলে মুশকিল। একটি বয়সের পর এমনটা হতে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শুরুর দিকে কপালের দু-পাশ থেকে চুল কমতে থাকে। ধীরে ধীরে তা উপরের দিকেও।
শুধু যে কপালের দিক থেকেই চুল পড়ার শুরু হয় তা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে মাথার মাঝখান থেকেও চুল কমতে থাকে। যা অনেক সময়ই নজর এড়িয়ে যায়। বা কেউ খেয়াল করেন না। চুলের গোড়া দুর্বল হলে এমন পরিস্থিতি হতে পারে।
চুল সাদা হয়ে যাওয়া অন্যতম উপসর্গ। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বয়স ৩০ পেরোতেই বেশ কিছু চুল সাদা হয়ে গিয়েছে। এটিও কিন্তু ইঙ্গিত দেয় টাক পড়ার।
বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র তথ্য জানানো। কোনও রকম সমস্যা কিংবা দ্বিধা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।