Dog Attack: যেন নেকড়ে, নিজের মনিবকেই খুবলে খেল ক্ষুধার্ত রটওয়েলার, শরীরে ৬০ ক্ষত
Dog Attack: গোয়ালিয়রের বাসিন্দা তেজেন্দ্র ঘোড়পাড়ে শখ করে একটি রটওয়েলার পুষেছিলেন। অনেকদিন ধরেই তাঁদের বাড়িতে রয়েছে। ঠিক বাড়ির সদস্যের মতো। কিন্তু সোমবার রাতে যে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন, তা হয়ত কোনওদিন কোনও দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তেজেন্দ্র।

গোয়ালিয়র: দুপুরে খেতে দিতে ভুলে গিয়েছিলেন। আর তারই খেসারত দিতে হল সারমেয়র মালিককে। মধ্য প্রদেশের গোয়ালিয়রের বাসিন্দা তেজেন্দ্র ঘোড়পাড়ে শখ করে একটি রটওয়েলার পুষেছিলেন। অনেকদিন ধরেই তাঁদের বাড়িতে রয়েছে। ঠিক বাড়ির সদস্যের মতো। কিন্তু সোমবার রাতে যে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন, তা হয়ত কোনওদিন কোনও দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি তেজেন্দ্র। সোমবার তখন প্রায় মাঝ রাত। তেজেন্দ্রর খেয়াল আসে, তিনি সেদিন প্রিয় রটওয়েলারকে দুপুরে খেতে দিতে ভুলে গিয়েছেন।
বিষয়টি মাথায় আসার সঙ্গে সঙ্গে খাবার নিয়ে ছোটেন। তখন ঘড়িতে রাত প্রায় বারোটা। সারাদিন ধরে অভুক্ত রটওয়েলার। ক্ষুধার্ত। মেজাজটাও ভাল ছিল না। যেই মাত্র তেজেন্দ্র খাবার নিয়ে ঘরে ঢোকেন, সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধার্ত রটওয়েলার ঝাঁপিয়ে পড়ে মনিবের উপর। পোষ্য সারমেয় নাকি হিংস্র নেকড়ে বোঝার উপায় নেই। আঁচড়ে, কামড়ে রক্তাক্ত করে দেয় তেজেন্দ্রকে। খুবলে মাংস বের করে নেয়। হাত-পা থেকে মাংস ছিঁড়ে দেয় কামড়ে। গোটা শরীর রক্ত মাখামাখি হয়ে যায়। সব মিলিয়ে ৬০টি ক্ষত সারা শরীরে।
ভাগ্য ভাল তেজেন্দ্রর ছেলে সময় মতো সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তিনি কোনওরকমে রটওয়েলারের কলার টেনে ধরে তেজেন্দ্রকে হিংস্র পোষ্যের হাত থেকে রক্ষা করেন। না হলে, এ যাত্রায় তাঁর কী পরিণতি হতে পারত, তা সেই অল্প কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বুঝে গিয়েছিলেন তেজেন্দ্র। তবে ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন তিনি। হিংস্র রটওয়েলারের মুখ থেকে ছাড়িয়ে আনার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। আপাতত সেখানেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন তেজেন্দ্র।
