India-Bangladesh Water Treaty: বাংলাদেশের সঙ্গে আর ফারাক্কা জলচুক্তি নয়! এবার বেঁকে বসল বিহারও

Farakka Water Treaty: ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও প্রতিবেশী বাংলাদেশের মধ্যে ফারাক্কা জলচুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির মেয়াদ ছিল ৩০ বছর। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই ১২ তারিখে ফারাক্কা জল চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার আগে ভারত-বাংলাদেশে দুই দেশের তরফে চুক্তি পুনর্নবীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

India-Bangladesh Water Treaty: বাংলাদেশের সঙ্গে আর ফারাক্কা জলচুক্তি নয়! এবার বেঁকে বসল বিহারও
ফাইল চিত্র।Image Credit source: X

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Aug 07, 2026 | 9:47 AM

নয়া দিল্লি: বাংলাদেশের সঙ্গে ফারাক্কা জল চুক্তি (Farakka Water Treaty)-তে নয়া বাধা। নাহ, এবার পথের কাঁটা পশ্চিমবঙ্গ নয়, নতুন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিহার (Bihar)। তাদের দাবি, বিহারের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে কিছুতেই ফারাক্কা জলচুক্তি করা যাবে না। এবার কেন্দ্র কোন পথে এগোবে?

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও প্রতিবেশী বাংলাদেশের মধ্যে ফারাক্কা জলচুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির মেয়াদ ছিল ৩০ বছর। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই ১২ তারিখে ফারাক্কা জল চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার আগে ভারত-বাংলাদেশে দুই দেশের তরফে চুক্তি পুনর্নবীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

বেঁকে বসেছে জেডিইউ-

তবে এই চুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিহারে বিজেপির জোটসঙ্গী তথা নীতীশ কুমারের দল জেডিইউ (JDU)। তাদের দাবি, বিহারের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে বাংলাদেশের সঙ্গে ফারাক্কা জলচুক্তি করা যাবে না। সংসদে এই দাবি তুলেছেন জেডিইউ-র রাজ্যসভা দলনেতা সঞ্জয় কুমার ঝা।

কী দাবি বিহারের?

জেডিইউ-র দাবি, এক সময় হুগলি নদী এবং কলকাতা বন্দরে পর্যাপ্ত জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ফারাক্কা ব্যারেজ তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এর ফলে বছরের পর বছর ধরে বিহারের বিস্তীর্ণ এলাকা জলশূন্য হয়ে রয়েছে। প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। ফলে বিহারের অনুমোদন ছাড়া ফারাক্কা জল চুক্তি সম্পন্ন না করার দাবি উত্থাপন করেছে বিহারের শাসক-শরিক দল।

বাংলার আপত্তি-

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ সরকারও দীর্ঘদিন ধরেই বলছে যে ফারাক্কা জল চুক্তি (Ganga Water Sharing Treaty) পুনর্নবীকরণের আগে রাজ্যের মতামত নেওয়া জরুরি। কারণ জানুয়ারি থেকে মে মাসে গঙ্গায় জলের প্রবাহ কমে যায়। পশ্চিমবঙ্গের দাবি, এই সময়ে যদি বাংলাদেশের জন্য বেশি জল ছাড়া হয়, তাহলে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া-সহ একাধিক জেলায় সেচ, পানীয় জল ও কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রাজ্যের আরও দাবি, গঙ্গার গতিপথ  বদলে যাওয়ায় মালদহ ও মুর্শিদাবাদে তীব্র নদী ভাঙন হচ্ছে। লক্ষাধিক মানুষ জমি ও বাড়ি হারিয়েছেন। তাই নতুন চুক্তিতে এই পরিবর্তিত বাস্তবতা বিবেচনা করা উচিত। অতিরিক্ত জল ছেড়ে দিলে হুগলি নদীতে পর্যাপ্ত প্রবাহ কমে যেতে পারে এবং বন্দরের রক্ষণাবেক্ষণে সমস্যা হতে পারে।

রাজ্যের পূর্ববর্তী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযোগ করেছেন যে ফারাক্কা চুক্তি নবীকরণ নিয়ে কেন্দ্র বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে যথাযথভাবে যুক্ত করা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, গঙ্গা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে, তাই রাজ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us