NCPI: আপাতত স্বস্তি, সুদীপ-কাকলিদের কাতর আর্জি মেনে নিল স্পিকার অফিস!

NCPI-TMC Clash: তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। এই দলে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার থেকে শুরু করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, ইউসুফ পাঠান, দেব, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া সহ একাধিক সাংসদ। এদের বিরুদ্ধেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের দাবি করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

NCPI: আপাতত স্বস্তি, সুদীপ-কাকলিদের কাতর আর্জি মেনে নিল স্পিকার অফিস!
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদরা। ফাইল চিত্র।Image Credit source: PTI

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Sep 03, 2026 | 2:48 PM

নয়া দিল্লি: সুদীপ-কাকলিদের বড় স্বস্তি। এনসিপিআই(NCPI) যে আবেদন করেছিল, সেই আবেদন মেনে নিল স্পিকার অফিস। তাদের আবেদন মেনে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দিল স্পিকার অফিস। এই তারিখের মধ্যে এনসিপিআইয়ের ২০ জন সাংসদকে নোটিসের জবাব দিতে হবে।

কী মামলা?

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ। এই দলে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার থেকে শুরু করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, ইউসুফ পাঠান, দেব, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া সহ একাধিক সাংসদ। এদের বিরুদ্ধেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের দাবি করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮ জুন স্পিকারকে চিঠি দিলেও, কোনও জবাব না পাওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।

কত সময় পেল এনসিপিআই সাংসদরা?

ওই মামলাতেই সুপ্রিম কোর্ট এই ২০ জন সাংসদের কাছ থেকে ব্য়াখ্যা চেয়ে নোটিস জারি করে। এরপর লোকসভার স্পিকারের অফিস থেকেও আলাদাভাবে নোটিস ইস্যু করা হয়। সাতদিনের ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল। ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কোনও জবাব দেয়নি এনসিপিআই সাংসদরা। উল্টে স্পিকারের কাছ থেকে অতিরিক্ত সময় চান তারা। সেই দাবি মেনেই স্পিকারের অফিস এনসিপিআই সাংসদদের ২২ সেপ্টেম্বর অবধি সময় দিল নোটিসের জবাব দেওয়ার।

আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর অভিষেকের করা মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই শুনানির আগে এনসিপিআই সাংসদরা সুপ্রিম নোটিসের জবাব দেন কি না, তা-ই দেখার।

কী বলছেন মহুয়া-সৌগতরা?

এদিকে, এনসিপিআই সাংসদরা অতিরিক্ত তিন সপ্তাহ সময় পাওয়ায় ক্ষুব্ধ কালীঘাট তৃণমূল শিবির। এই নিয়ে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, “তিনটি কন্সপিরেসি থিওরি চলছে। এক, এখনও রাষ্ট্রপতি সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হওয়ার ঘোষণা করেননি। কখন বিশেষ অধিবেশন ডেকে এই ২০ জনের ভোটের প্রয়োজন হয়, সেটা একটা বিষয়। দ্বিতীয় বিষয় হল, আমরা সুপ্রিম কোর্টে আপিলের ১৮ সেপ্টেম্বর শুনানি রয়েছে। গত শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা লাফিয়ে লাফিয়ে বললেন যে স্পিকারকে যেন নোটিস ইস্যু না করা হয়। ২৫ অগস্ট হিয়ারিংয়ের দুই মিনিট আগে বা পরে উনি এই ২০ জনকে নোটিস ইস্যু করেন। ১৮ সেপ্টেম্বর যখন শুনানি চলবে তখন সলিসিটর জেনারেল এক মাসের জন্য শুনানি মুলতবি চেয়ে সময় নেবেন, কারণ স্পিকার তিন সপ্তাহের অতিরিক্ত সময় দিয়েছেন। মিলিয়ে নেবেন।”

এনসিপিআই সাংসদদের আক্রমণ করে মহুয়া বলেন, “গদ্দারদের বলছি, তখন তো গলা ফাটিয়ে বলেছিলেন যে আমরা এনসিপিআই। আপনারা সব যদি এনসিপিআই হন, তাহলে সাতদিনের বেশি তিন সপ্তাহের সময় লাগে কেন? আপনারা তো একদিনেই জবাব দিতে পারতেন যে সাংসদ হিসাবে আপনাদের পদ খারিজ কেন করা হবে না?”

তৃণমূলের আরেক সাংসদ সৌগত রায়ও বলেন, “ওরা যা চাইছেন তাই পাচ্ছেন। কতদিন আগে আবেদন করেছি আমরা। বাদল অধিবেশন শেষ হয়ে গেল, কিছুই হল না।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us