
নয়া দিল্লি: পাশে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং Xi Jinping), তার সামনেই ব্রিকসের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) বললেন যে প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজকে হাতিয়ার করলে, সেটি সার্বিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করবে। এই বার্তা যে বেজিংয়ের উদ্দেশেই ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মৃত্তিকা বা রেয়ার আর্থ মিনারেলসের বাজারে কার্যত একচেটিয়া রাজত্ব করে চিন।
আজ ব্রিকস সামিটের দ্বিতীয় তথা শেষ দিন। গতকাল রাষ্ট্রনেতাদের বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। সেই ঘোষণাপত্রে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা থেকে যুদ্ধের বিরোধিতা স্থান পায়। এ দিনও ব্রিকস সামিটে প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসের মঞ্চ থেকে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন।
এ দিন প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজকে হাতিয়ার করা আমাদের মিলিত অগ্রগতিকে বাধাপ্রাপ্ত করতে পারে। তাই আমরা প্রযুক্তির গ্রহণের ক্ষেত্রে সকলকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টির উপর জোর দিয়েছি।”
গত বছর আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের আবহে চিন বিরল খনিজ (Rare Earths) এবং উন্নত প্রযুক্তি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য কাঁচামালের রফতানির উপর নিয়ন্ত্রণ আরও কড়া করেছিল। তবে পরে সেই বিধিনিষেধের কিছুটা শিথিল করেছে বেজিং।
বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ বিরল খনিজ প্রক্রিয়াজাত করে চিন। এই খনিজগুলি সৌর প্যানেল থেকে শুরু করে স্মার্টফোন—উন্নত প্রযুক্তির বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।