
নয়া দিল্লি: স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল বদল চাইছেন জুনিয়র ডাক্তারা। বদলাতে হবে ভোল, চাই সুস্থ-সুষ্ঠ পরিষেবা। তিলোত্তমা কাণ্ডের আবহে স্বাস্থ্য সংস্কারের ১০ দফা দাবি সামনে রেখে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। দুর্গাপুজোতেও তার ছাপ ছিল প্রতিপদে। এবার পুজো কার্নিভালের দিন দ্রোহের কার্নিভালের ডাকও দেওয়া হয়েছে রাজপথে। যা নিয়ে টানাপোড়েনের চলছিলই কয়েকদিন ধরে। ‘অনুমতি’-র জল গড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানি যখন চলল রাজ্যের শীর্ষ আদালতে ঠিক সময়ই সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের শুনানিতে উঠে এল গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন। ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্সের ভূমিকা নিয়েও চলল চাপানউতোর। কাজের গতিপ্রকৃতি নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন খোদ প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।
প্রসঙ্গত, এনটিএফের প্রথম বৈঠকে চারটি সাব গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এদের কাজ মূলত বিভিন্ন পক্ষের মতামত নেওয়া, এ বিষয়ে রিপোর্ট তৈরি করা। ২২ অগস্টের নির্দেশের ভিত্তিতে একটি ওয়েব লিংক তৈরি করা হয়েছে মতামত নেওয়ার জন্য। ১৭০০ ইনপুট এসেছে। ৭৮৮০ হাসপাতাল তাদের মতামত জানিয়েছে। এই রিপোর্ট হাতে নিয়েই খানিক উদ্বেগের সঙ্গেই প্রধান বিচারপতি সাফ বলেন, “দেখা যাচ্ছে খুব একটা ইতিবাচক অগ্রগতি NTF করতে পারেনি। ৯ সেপ্টেম্বরের পরে কোনও বৈঠক হয়নি। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে NTF কে কাজ শেষ করতে হবে। সব গ্রুপ গুলিকে নিয়মিত বৈঠক করতে হবে।” তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে কাজ।
যদিও এরপরই রাজ্য সরকারের পক্ষে রাকেশ ত্রিবেদী জানান, “অন্য সব হাসপাতালের কাছে হয়ে গিয়েছে। আরজি করের পরিকাঠামোর কাজ ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ শেষ হয়ে গিয়েছে। সিবিআই এর থেকে ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই কাজ শুরু হয়েছে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। বিভিন্ন লেভেলের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অ্যালার্ম লাগানো হয়েছে।” যদিও এরইমধ্যে রাকেশ দ্বিবেদীর বক্তব্যের বিরোধিতা করলেন করুণা নন্দী। তাঁর দাবি, যে সমস্ত ডাক্তারা সেখানে কাজ করছেন তাঁরা জানিয়েছেন উল্লেখযোগ্য কোনও কাজই হয়নি।