
নয়াদিল্লি: সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় হাসিখুশিই ছিল। হঠাৎ দুপুরে স্কুল থেকে ফোন পেয়েই শিউরে উঠলেন পরিবারের লোকজন। স্কুল থেকে জানানো হল, তাঁদের মেয়ে স্কুলের মধ্যে গায়ে আগুন লাগিয়েছে। ঘটনাটি দিল্লির শাহদরা জেলার কৃষ্ণনগর এলাকার। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সর্বোদয় কন্যা বিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীর ঘরের পিছন থেকে ওই ছাত্রীর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, নিজের গায়ে পেট্রলের মতো কোনও দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল সে।
কী কারণে ওই ছাত্রী এমন পদক্ষেপ করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তে নেমে ছাত্রীর স্কুলব্যাগ থেকে তিন পাতার একটি নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিক্ষকদের দাবি, ওই ব্যাগ থেকে আরও কিছু সন্দেহজনক সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। তবে সেগুলি কী ধরনের সামগ্রী, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
ছাত্রীর দিদি জানিয়েছেন, স্কুলে যাওয়ার সময় তাঁর বোনকে বেশ হাসিখুশি দেখাচ্ছিল। তিনি বলেন, “আমি জানি না কী হয়েছিল। দুপুর ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ স্কুল থেকে আমাদের ফোন করা হয়।”
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশের ক্রাইম টিম। তারা ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজনীয় নমুনা ও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে। কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।