ECI: ‘সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে’, এপিক-বিতর্কের মধ্যে CEO-দের নির্দেশ কমিশনের
Election Commission of India: নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্টে মঙ্গলবার থেকে দু'দিনের এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্ঞানেশ কুমার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দিল্লিতে ডেকে দু'দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে বসল কমিশন।

নয়াদিল্লি: একই এপিক নম্বরে দুই রাজ্যে দুটি ভোটার কার্ড নিয়ে সরব তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিতে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের(CEO) সঙ্গে বৈঠকে বসল জাতীয় নির্বাচন কমিশন(ECI)। সেখানে সব রাজ্যের CEO, DEO (ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিস), ERO (ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার)-দের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে যাবতীয় সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। প্রত্যেকটি ইস্যু ভিত্তিক কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে।
নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্টে মঙ্গলবার থেকে দু’দিনের এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্ঞানেশ কুমার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দিল্লিতে ডেকে দু’দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে বসল কমিশন।
সম্মেলনে সব রাজ্যের CEO-দের বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলের যেকোনও প্রশ্ন বা ইস্যুর জবাব যেন সময় মত দেওয়া হয়। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, তৃণমূলের সাম্প্রতিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। একইসঙ্গে এদিনের বৈঠকে বলা হয়েছে, কমিশনের সব স্তরে নিয়মিত সর্বদলীয় বৈঠক করতে হবে। কমিশনের আধিকারিকদের নির্বাচনী আইন এবং নিয়ম সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল থাকতে হবে।
এদিনের বৈঠকে আরও বলা হয়, প্রত্যেক বুথ লেভেল অফিসার (BLO) যাতে ভোটারদের প্রতি সৌজন্যমূলক ব্যবহার করেন, তার জন্য তাঁদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ভোটের সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে যাতে ভয় দেখানো না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের প্রত্যেক ১৮ বছর বয়সী নাগরিকের নাম যাতে ভোটার তালিকায় উঠে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

