Hemant Soren: বাড়িতে অভিযানের পর ফের হেমন্ত সোরেনকে তলব ইডি-র

ED: রাঁচিতে জমি বিক্রি সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপের মামলায় নাম জড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের। এই মামলায় তাঁকে ইতিমধ্যে ৫ বার নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। কিন্তু, একবারও হাজিরা দেননি মুখ্যমন্ত্রী। এরপর শনিবার ইডি আধিকারিকেরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে হানা দেন।

Hemant Soren: বাড়িতে অভিযানের পর ফের হেমন্ত সোরেনকে তলব ইডি-র
হেমন্ত সোরেন।Image Credit source: ANI

|

Jan 23, 2024 | 9:08 AM

নয়া দিল্লি: বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরেও রেহাই নেই। ফের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে তলব করল ইডি। এবার ২৭ জানুয়ারি, শনিবার থেকে ৩১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। অর্থাৎ এবার হাজিরা দেওয়ার জন্য হেমন্ত সোরেনকে পাঁচদিন সময় দেওয়া হয়েছে। আর্থিক তছরুপের মামলাতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বয়ান রেকর্ড করবে ইডি এই সময়ের মধ্যে এবার তিনি হাজিরা না দিলে ইডি কড়া পদক্ষেপ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।

এর আগে একের পর সমন এড়িয়ে যাওয়ায় গত ২০ জানুয়ারি, শনিবার সরাসরি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি আধিকারিকদের একটি দল। একেবারে দিল্লি থেকে সরাসরি ইডি-র ৩ সদস্যের একটি দল এদিন রাঁচিতে হেমন্ত সোরেনের সরকারি বাসভবনে যান। তাঁরা রা ৮টি ফাইল এবং ৩০০ প্রশ্নের একটি তালিকা নিয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকেছিলেন বলে সূত্রের খবর। তারপর দীর্ঘক্ষণ ধরে মুখ্যমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। ইডি আধিকারিকে এসেছিলেন, এমনকি নিজেদের খাবারও নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকেন বলে সূত্রের খবর। ইডি আধিকারিকেরা মুখ্যমন্ত্রী সোরেনকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করেন বলে সূত্র মারফৎ জানা যায়।

প্রসঙ্গত, রাঁচিতে জমি বিক্রি সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপের মামলায় নাম জড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের। এই মামলায় তাঁকে ইতিমধ্যে ৫ বার নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। কিন্তু, একবারও হাজিরা দেননি মুখ্যমন্ত্রী। এরপর শনিবার ইডি আধিকারিকেরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে হানা দিলে হেমন্ত সোরেনের বাড়ির বাইরে তীব্র বিক্ষোভ দেখান জেএমএম কর্মী-সমর্থকেরা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। যদিও এই মামলায় তাঁর নাম জড়ানো এবং ইডি-র তলব বেআইনি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি হেমন্ত সোরেনের।

Follow Us