
গুজরাট: ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ আত্মীয়কে আগাম জামিন দিল আদালত। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাঁরা অভিযোগকারীর স্বামীকে তালাক দিতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে একমাত্র অভিযোগ হল যে তাঁরা তাঁর স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন।
আদালত উল্লেখ করেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, তা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দণ্ডনীয় নয়। এছাড়া তাদের আগের কোনও অপরাধের রেকর্ড ছিল না। তারা তদন্ত ও বিচারের সময় উপস্থিত থাকবেন বলে দাবি করেছেন।
এফআইআরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮৫, ৩৫১(২) এবং ৫৪ নম্বর ধারার পাশাপাশি মুসলিম মহিলা (বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার সুরক্ষা) আইন, ২০১৯-এর ৪ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।
আবেদনকারীদের আইনজীবীর দাবি ছিল, অভিযোগের যা ধরন, তাতে হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও প্রয়োজন নেই। আরও জানানো হয় যে, আবেদনকারীরা তদন্তে সহযোগিতা করবেন, বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন উপস্থিতও থাকবেন।
আবেদনটি বিবেচনা করে গুজরাট হাইকোর্ট উল্লেখ করে যে, অভিযোগের ধরন ও গুরুত্ব, আবেদনকারীর অপরাধের ইতিহাস বিবেচনা করেই আগাম জামিন দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে আদালত উল্লেখ করেছে যে, আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র স্বামীকে সমর্থন করা এবং তাকে তালাক দিতে প্ররোচিত করার অভিযোগ রয়েছে।
হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের এই পর্যবেক্ষণগুলো শুধুমাত্র আগাম জামিনের আবেদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং এগুলো ট্রায়াল কোর্টের উপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। আদালত আরও স্পষ্ট করেছে যে, এই নির্দেশ পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থাকে আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা থেকে বিরত রাখে না।