
চণ্ডীগঢ়: হরিয়ানায় ভেঙে গেল BJP-JJP জোট। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিলেন মনোহর লাল খট্টর। মঙ্গলবার রাজ্যপাল বন্দারু দত্তাত্রেয় কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনের আগে হরিয়ানায় জোট কোন্দল এবং হঠাৎ করে মুখ্যমন্ত্রী পদে মনোহর লাল খট্টরের ইস্তফা প্রদান স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির কাছে অস্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে।
হরিয়ানায় বিজেপি-জেজেপি জোট সরকার ছিল। যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি। ৯০টি আসন বিশিষ্ট হরিয়ানা বিধানসভার ৪০টি আসনেই ছিল বিজেপির সদস্য। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে আসন রফা নিয়ে জেজেপি-র সঙ্গে বিজেপির বিরোধের সূত্রপাত হয়। জেজেপি ১০টি আসনের মধ্যে ৩টি আসনের দাবি জানিয়েছে। কিন্তু, বিজেপি একটির বেশি ছাড়তে নারাজ। বিষয়টি নিয়ে সোমবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও জেজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক হয়। কিন্তু, তারপরেও সমাধামন সূত্র হয়নি। অবশেষে সেই বিরোধের জেরেই এদিন মনোহর লাল খট্টর মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিলেন বলে সূত্রের খবর। এছাড়া খট্টরকে নিয়ে বিজেপির অন্দরেও দ্বন্দ্ব চলছিল বলে সূত্রের খবর।
আবার বিজেপির এক সূত্রের খবর, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবেন মনোহর লাল খট্টর। সেজন্যই তিনি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন। এক প্রবীণ বিজেপি নেতা জানান, কুর্নুল থেকে লড়াই করতে পারেন খট্টর। যদিও এই বিষয়ে খট্টর বা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে নিশ্চয়তা মেলেনি।
এদিন সকালে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার আগে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে নিজের বাড়িতে বৈঠক করেন মনোহর লাল খট্টর। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। তারপরই রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা করেন খট্টর।
অন্যদিকে, মনোহর লাল খট্টর মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিলেও এদিনই নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন বলে শোনা যাচ্ছে। যদিও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন, সে বিষয়ে বিজেপির তরফে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।