গলা পর্যন্ত মদ খেয়ে নাচতে নাচতে স্কুলে এলেন প্রধান শিক্ষক, ক্লাসে ঢুকেই যাতা কাণ্ড…

Uttar Pradesh: স্কুলের বাকি শিক্ষকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক প্রতিদিনই মদ্যপ অবস্থায় আসেন। নেশগ্রস্ত অবস্থাতেই তিনি শিশুদের পড়ান। এর আগেও বেশ কয়েকবার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল এবং তাঁকে সতর্কও করা হয়েছিল।

গলা পর্যন্ত মদ খেয়ে নাচতে নাচতে স্কুলে এলেন প্রধান শিক্ষক, ক্লাসে ঢুকেই যাতা কাণ্ড...
প্রতীকী চিত্রImage Credit source: Pixabay

|

Jun 12, 2024 | 2:02 PM

লখনউ: স্কুলে আসেন টলতে টলতে। ব্ল্যাকবোর্ডে একটা অক্ষর লিখতেও হাত কাঁপে। ছাত্র-ছাত্রীদের কী পড়ান, তার হুঁশ থাকে না। এটা একদিনের ঘটনা নয়, রোজই মদ্যপ অবস্থায় আসেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। বাকি শিক্ষকরাও ভয়ে মুখ বন্ধ করে থাকেন। কিন্তু কতদিনই বা এইসব সহ্য করা যায়! মদ্যপ অবস্থায় স্কুলে এসে নাচানাচি ও অশান্তি করতেই ভাঙল ধৈর্য্যের বাঁধ, শিক্ষা দফতরে জানানো হল অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গেই বরখাস্ত করা হয় প্রধান শিক্ষককে।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের বরৈলিতে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় আসার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা দফতরের কাছে অভিযোগ যেতেই ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে।

স্কুলের বাকি শিক্ষকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক প্রতিদিনই মদ্যপ অবস্থায় আসেন। নেশগ্রস্ত অবস্থাতেই তিনি শিশুদের পড়ান। এর আগেও বেশ কয়েকবার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছিল এবং তাঁকে সতর্কও করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও অভ্যাস বদলাননি ওই প্রধান শিক্ষক। প্রমোদ কুমার সিং নামক ওই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলে মিড ডে মিল না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

মঙ্গলবারও প্রধান শিক্ষক মদ্যপান করে স্কুলে আসেন। স্কুলের মধ্যেই তিনি নাচানাচি শুরু করেন। বাকি শিক্ষকরা আটকাতে গেলে তিনি অশান্তি শুরু করেন। এরপরই গ্রামবাসীরা স্কুলে পৌঁছন। তারা স্কুলের বাকি শিক্ষকদের ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বলেন।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অধিকাংশ দিন স্কুলে আসেন না প্রধান শিক্ষক। যে কয়েকদিন আসেন, সেদিনও সম্পূর্ণ মত্ত অবস্থায় আসেন। এতে শিক্ষার পরিবেশ খারাপ হচ্ছে।

যদিও প্রধান শিক্ষক প্রমোদ কুমার সিংয়ের দাবি, সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি কখনও মাতাল হয়ে স্কুলে যাননি। তিনি নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে যান এবং যথাসময়ে ডিউটি থেকে ফিরে আসেন। তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

Follow Us