Mohammed Shami: রোজা না রাখায় শামিকে ‘ক্রিমিনাল’ বললেন মৌলবীরা, কী বলছে কোরান?

ICC Champions Trophy: মৌলানা শাহাবুদ্দিন রাজভি বলেন, "ইসলামিক আইনে শামি যা করেছেন, তা অপরাধ। অন্যতম বাধ্যতামূলক কাজ হল রোজা। যদি কোনও সুস্থ পুরুষ বা নারী রোজা না রাখেন, তবে তারা বড় অপরাধী।"

Mohammed Shami: রোজা না রাখায় শামিকে ক্রিমিনাল বললেন মৌলবীরা, কী বলছে কোরান?
এই ছবি ঘিরেই বিতর্ক।Image Credit source: X

|

Mar 07, 2025 | 9:22 AM

নয়া দিল্লি: আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারত। বিরাট-রোহিত বাহিনীর এই বিরাট জয় নিয়ে গোটা দেশ যখন আনন্দের জোয়ারে ভাসছে, সেখানেই একটা বিতর্ক ধামাচাপা দিয়ে দিচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার এই সাফল্য। কী সেই বিতর্ক? মহম্মদ শামি(Mohammed Shami)কে নিয়ে। রমজান মাসে তিনি রোজা রাখেননি। খেলার মাঝে তাঁকে এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করতে দেখেই নিন্দুকেরা তুলেছে সমালোচনার ঝড়। এমনকী, এক মৌলবী তো শামিকে ‘ক্রিমিনাল’ও বলে বসলেন!

বুধবার সেমিফাইনাল ম্যাচ চলাকালীন ভারতীয় ক্রিকেট টিমের পেসার মহম্মদ শামির এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করতে দেখা যায়। সেইৃ ছবি প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু। উত্তর প্রদেশের বরৈলির মৌলবী তাঁকে ক্রিমিনাল বলেন। অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের প্রেসিডেন্ট মৌলানা শাহাবুদ্দিন রাজভি বলেন, “ইসলামিক আইনে শামি যা করেছেন, তা অপরাধ। অন্যতম বাধ্যতামূলক কাজ হল রোজা। যদি কোনও সুস্থ পুরুষ বা নারী রোজা না রাখেন, তবে তারা বড় অপরাধী।”

ওই মৌলবীর যুক্তি, শামি খেলার জন্য ফিট ছিলেন। ফলে তার রোজা না রাখার কোনও কারণ ছিল না। একদিকে যেমন শামির এই সিদ্ধান্তে সমালোচনা করেছেন অনেকে, তেমনই শামির পরিবার থেকে শুরু করে সমর্থকরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বলেছেন, শামি দেশের হয়ে খেলছেন। ক্রীড়াবিদ হিসাবে তাঁর এই সিদ্ধান্ত (রোজা না রাখা) নেওয়ার অধিকার আছে।

শাহাবুদ্দিন রাজভি, যিনি শামিকে ‘ক্রিমিনাল’ বলেছেন, তাঁকে পাল্টা জবাবে চুপ করিয়ে দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরঙ্গি মাহালি। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ইসলাম ধর্মে যারা ভ্রমণ করছেন এবং শারীরিক বা কায়িক শ্রমের কাজ করেন, তাদের রোজায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। কোরানের উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইসলামে রোজা রাখা বাধ্যতামূলক, কিন্তু কোরানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তি ভ্রমণ করেন বা শাররিকভাবে অসুস্থ হন, তবে তারা রোজা না রাখতে পারেন। শামি আন্তর্জাতিক সফরে রয়েছেন। তার দিকে আঙুল তোলার অধিকার নেই কারোর।”

শামির পরিবারও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। শামির কাকা মুমতাজ বলেন, “ওঁ দেশের হয়ে খেলছে। বহু পাকিস্তানি খেলোয়াড়রাও ম্যাচের দিন রোজা রাখে না। এটা নতুন কিছু নয়। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক যে ওঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us