
দশ বছর বয়সে কিম একদিন দেখল, একটি সংখ্যাকে অন্য একটি সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হয় কীভাবে, তা সে ভুলে গিয়েছে। মণিপুরের একটি অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে কাঠের বেঞ্চে আরও ছ’জন শিশুর সঙ্গে বসেছিল সে। শিক্ষক ব্ল্যাকবোর্ডে একটি সাধারণ অঙ্ক লিখেছিলেন। সংখ্যাগুলি কিমের চেনা। এর আগেও একই ধরনের অঙ্ক সে করেছে। কিন্তু এরপর কী করতে হবে, তা আর মনে করতে পারছিল না।
অনেকক্ষণ খাতার পাতার দিকে তাকিয়ে রইল সে। একটি সংখ্যা লিখল, আবার মুছে দিল। তারপর অপেক্ষা করতে লাগল, কখন শিক্ষক পরের অঙ্কে চলে যাবেন। কেউ তাকে বকেনি। এমনকী কেউ খেয়ালও করেনি। তাতে নিজের সমস্যাটা লুকিয়ে রাখা সহজ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু মন ভালো হয়নি তার। সেদিন সকাল পর্যন্ত কিম ভেবেছিল, নিয়মিত স্কুলে ফিরতে পারলেই আগে যা যা শিখেছিল, সব আবার মনে পড়ে যাবে। কিন্তু এখন আর সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছিল না।
সবকিছু বদলে যাওয়ার আগে-
২০২৩ সালে কিমের বয়স ছিল সাত বছর। মণিপুরের পাহাড়ি এলাকার একটি গ্রামে বাবা-মা এবং ছোট ভাইয়ের সঙ্গে থাকত সে। তার বাবা একটি ছোট পরিবহণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মা সেলাইয়ের কাজ করে কিছু টাকা রোজগার করতেন। পরিবারটি খুব স্বচ্ছল ছিল না। এমন অনেক মাস গিয়েছে, যখন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার সিদ্ধান্তও পিছিয়ে দিতে হয়েছে। কিমের স্কুলব্যাগের চেনটি ভেঙে গিয়েছিল। মা দু’বার সেটি সারিয়ে দিয়েছিলেন। তার জুতোগুলিও একটু বড় ছিল, কারণ সেগুলি আরও এক বছর চালানোর পরিকল্পনা ছিল।
তবে নিয়মিত স্কুলে যেত কিম। কোথায় বসতে হবে, কোন শিক্ষিকা মন দিয়ে হোমওয়ার্ক দেখেন, নিজের ইরেজার আনতে ভুলে গেলে কোন বন্ধু তাকে সেটি ধার দেবে, সবই জানা ছিল তার। স্কুল ছিল তার জীবনের একেবারে স্বাভাবিক অংশ। গ্রামের বাইরের পরিস্থিতির উপর যে স্কুলে যাওয়া নির্ভর করতে পারে, তা কখনও ভাবেনি সে।
যে দিন ভেঙে গেল চেনা ছন্দ-
২০২৩ সালের মে মাসে মণিপুরে হিংসা ছড়িয়ে পড়ার পর কিমের পরিবারের স্বাভাবিক জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেল। বাড়ি ছেড়ে শেষ পর্যন্ত এমন একটি জায়গায় আশ্রয় নিতে হল, যেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলিকে রাখা হচ্ছিল।
কিমের মনে আছে, তাড়াহুড়ো করে পোশাকপত্র গুছিয়ে নিচ্ছিল তারা। মা তাকে দ্রুত তৈরি হতে বলছিলেন। তার স্কুলব্যাগটি বাড়িতেই পড়ে গিয়েছিল। তবে বাড়ির দরজায় কেউ তালা দিয়েছিল কি না, তা আর মনে করতে পারে না সে। প্রথম কয়েক সপ্তাহ কিম ভেবেছিল, তারা আবার বাড়ি ফিরে যাবে। নিজের বইগুলির কথা জানতে চাইত সে। কারণ, একটি বইয়ে তার আঁকা অসমাপ্ত ছবি ছিল। পরে যখন বড়রা আর তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার কথা বলতেন না, তখন কিমও আর সেই প্রশ্ন করত না।
অনিশ্চিত হয়ে পড়ল পড়াশোনা-
পরিবারটি অন্য বাস্তুচ্যুত মানুষের সঙ্গে অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকতে শুরু করল। সেখানে থাকার জায়গা ছিল গাদাগাদি। প্রতিদিনের জীবনযাপনের জন্য ধৈর্যের প্রয়োজন হত। জল সংগ্রহ করতে হত। যতটুকু জায়গা পাওয়া যেত, সেখানেই কাপড় কেচে শুকোতে হত। হাতের কাছে কী কী সামগ্রী রয়েছে এবং রান্নার কী ব্যবস্থা করা সম্ভব, তার উপর নির্ভর করত খাবার।
সেখানে আরও অনেক শিশু ছিল। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বও হয়ে গেল কিমের। একসঙ্গে খেলত, ঝগড়া করত, হাসত। কেউ কেউ তার গ্রাম থেকে অনেক দূরের এলাকা ছেড়ে এসেছিল। কারও বাড়িতে অন্য ভাষায় কথা বলা হত। তাদের জীবন সম্পর্কে জানার আগেই তাদের নাম শিখে নিয়েছিল কিম। কিন্তু পড়াশোনার কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না। কখনও শিশুরা অস্থায়ী ক্লাসে যেত, কখনও স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের পড়াশোনায় সাহায্য করতেন। আবার কেউ কেউ আশ্রয়স্থলের কাছাকাছি স্কুলে ভর্তির চেষ্টা করত। কিন্তু প্রত্যেক শিশুর সুযোগ একরকম ছিল না।
কিছু পরিবারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র, যাতায়াত, স্কুলের পোশাক কিংবা পড়াশোনার খরচ জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিমের বাবা-মা চাইতেন, সে পড়াশোনা চালিয়ে যাক। কিন্তু শুধু চাইলেই তো বাস্তব সমস্যাগুলির সমাধান হয় না। বাবা কাজ খুঁজছিলেন। মা ছোট ছেলেকে সামলানোর পাশাপাশি সংসারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি দেখছিলেন। নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি হতেও সময় লেগেছিল।
শ্রেণিকক্ষের বাইরেও যা শিখেছিল কিম-
কিম কিন্তু এই তিন বছর একেবারে কিছু না করে কাটায়নি। নিজের অল্প কিছু জিনিসপত্র যত্ন করে রাখতে শিখেছিল সে। মাকে সাহায্য করত, ছোট ভাইয়ের দেখাশোনা করত। যে জায়গায় তারা থাকত, সেখানকার নিয়মকানুন এবং পরিস্থিতির সঙ্গেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নিয়েছিল। এমন অনেক কিছু শিখেছিল, যা স্কুলের কোনও পাঠ্যসূচিতে ছিল না। বড়রা কখন টাকার চিন্তায় রয়েছেন, তা বুঝতে শিখেছিল সে। আগামী মাসে কোনও জিনিস কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সবসময় যে পূরণ হবে না, সেটাও বুঝেছিল। খুব বেশি প্রশ্ন না করে অপেক্ষা করতে শিখেছিল।
প্রথম দিকে পড়াশোনা ছাড়া দিনগুলি তার ভালোই লাগত। অনেকক্ষণ খেলতে পারত। হাতের লেখা সুন্দর হয়েছে কি না, তা দেখার কেউ ছিল না। কিন্তু কিছুদিন পর সেই স্বাধীনতার আনন্দও হারিয়ে গেল। স্কুলের নির্দিষ্ট সময়সূচি খুব মনে পড়ত তার। বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাসের কাজ আগে শেষ করার ছোটখাটো প্রতিযোগিতাও মিস করত। সবচেয়ে বেশি মনে পড়ত পরের দিন সকালে কী হবে, তা আগে থেকে জানার নিশ্চয়তা।
পুরনো স্কুলের স্মৃতি-
কিমের বাবা মাঝেমধ্যেই পুরনো স্কুলের কথা বলতেন। তিনি জানতে চাইতেন, অঙ্কের শিক্ষিকার নাম মনে আছে কি না। কিমের মনে ছিল। বাবা জানতে চাইতেন, তাদের বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটা মনে আছে কি না। কিছুটা মনে থাকলেও প্রতিটি বাঁক আর মনে করতে পারত না সে। বাবা সেই বন্ধুটির কথাও জানতে চাইতেন, যে একসময় তাদের বাড়িতে আসত। কিম বলত, তার মুখটা মনে আছে, কিন্তু নামের বানানটা ঠিক মনে পড়ছে না। এরপর বাবা আর কথা বাড়াতেন না। কারণ, তাঁর নিজেরও এমন অনেক প্রশ্ন ছিল, যার উত্তর তাঁর কাছেও ছিল না।
ফের পড়াশোনা শেখা শুরু-
অবশেষে যখন কিম নিয়মিত ক্লাসে যেতে শুরু করল, তখন নতুন করে বই হাতে পেয়ে খুব খুশি হয়েছিল সে। কিন্তু দেখল, ক্লাসের সব পড়ুয়ার পড়াশোনার মান এক নয়। কেউ এই অস্থিরতার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছে। কেউ আবার দীর্ঘ সময় স্কুলের বাইরে ছিল। কয়েকজনের বয়স ওই শ্রেণির অন্য পড়ুয়াদের তুলনায় বেশিও ছিল। ফলে শিক্ষিকাকে একসঙ্গে বিভিন্ন স্তরের পড়ুয়াদের প্রয়োজন সামলাতে হচ্ছিল।
কিমও মন দিয়ে পড়ার চেষ্টা করত। পড়াশোনায় সে ভালোই ছিল, বিশেষ করে যখন সময় নিয়ে পড়ার সুযোগ পেত। কিন্তু অঙ্ক ছিল কঠিন। নামতা এবং আগে শেখা বেশ কয়েকটি পদ্ধতি ভুলে গিয়েছিল সে।
সেই খাতা-
কিম ঠিক করল, আলাদা একটি খাতায় অঙ্কগুলি লিখে রাখবে। পরে সময় করে সেগুলি অনুশীলন করবে। খাতাটি খুব সস্তার ছিল। পাতাগুলি ছিল পাতলা, মলাটও ছিল একেবারে সাধারণ। প্রথম পাতায় নিজের নাম এবং সাল লিখল সে। পরের পাতায় লিখল সাতের নামতা। ভুল করল, আবার নিজেই তা সংশোধন করল।
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাতার পাতাগুলি ভরে উঠতে শুরু করল। এমন কোনও নাটকীয় মুহূর্ত আসেনি, যেদিন হঠাৎ করে সে বাকি সবার সমান হয়ে গেল। কোনও দিন পাঠ বুঝতে পারত, আবার কোনও দিন সাহায্যের প্রয়োজন হত। কিন্তু খাতাটি তাকে বুঝতে সাহায্য করেছিল যে, তার পড়াশোনা আবার এগোচ্ছে।
মাঝেমধ্যেই তার ছোট ভাই খাতাটি নিয়ে ছবি আঁকতে বসত। কিম রেগে গিয়ে তাকে অন্য কাগজে আঁকতে বলত। একদিন ভুল করে ভাই একটি পাতা ছিঁড়ে ফেলেছিল। তাতে গোটা বিকেলই মন খারাপ ছিল কিমের।
মায়ের মনে হয়েছিল, মেয়ের প্রতিক্রিয়া একটু বেশিই হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরে তিনি যখন দেখলেন, কিম কত যত্ন করে খাতার পাতাগুলিতে নম্বর দিয়েছে, তখন বিষয়টি বুঝতে পারলেন। পরিবারের জীবনে এমন অনেক কিছু ছিল, যার উপর তাদের আর কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। কিন্তু কিম নিজের মতো করে সাজিয়ে রাখার মতো ছোট্ট একটি জিনিস খুঁজে পেয়েছিল।
শিক্ষা নিয়ে বড়দের দুই ধরনের আলোচনা-
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিম বুঝতে শিখল, বড়রা শিক্ষার বিষয়ে মূলত দু’ধরনের কথা বলেন। আশাবাদী হলে তাঁরা পরীক্ষার ফল, ভবিষ্যতের পেশা এবং উন্নত জীবনের কথা বলেন। আবার চিন্তিত হলে আলোচনা করেন স্কুলের ফি, যাতায়াতের খরচ, নিরাপত্তা এবং পরিবারকে আবার অন্য কোথাও চলে যেতে হবে কি না, সেই বিষয়গুলি নিয়ে।
দুই ধরনের কথোপকথনই শুনত কিম। সে বড় হয়ে শিক্ষিকা হতে চাইত। যদিও কোন বিষয় পড়াবে, তা তখনও ঠিক করেনি। কোনও দিন পুরনো স্কুলে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবত। আবার কোনও দিন মনে হত, একেবারে নতুন কোনও জায়গায় পড়াশোনা করবে।
যে প্রশ্নগুলি করতে শিশুরা একসময় ভুলে যায়-
কিম ধীরে ধীরে বুঝতে পারছিল, একসময় যারা পাশাপাশি থাকত, সেই শিশুরা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি সম্পর্কে আলাদা আলাদা ধারণা তৈরি করছে। বড়দের মনে ছিল হিংসা, হারিয়ে ফেলা প্রিয়জন এবং আতঙ্কের স্মৃতি। তাঁদের কথাবার্তা ও অভিজ্ঞতা প্রতিবেশী এবং বিভিন্ন সম্প্রদায় সম্পর্কে শিশুদের ধারণাকেও প্রভাবিত করছিল।
বাড়ি ছেড়ে আসার আগে যাদের চিনত, তাদের নিয়ে কিমের অনেক প্রশ্ন ছিল। কিন্তু সব প্রশ্ন সে করত না। কোন কোন বিষয় নিয়ে কথা বললে বড়রা অস্বস্তিতে পড়েন, তা বুঝতে শিখছিল সে।
যে ভুলগুলি সে খাতা থেকে ছিঁড়ে ফেলেনি-
২০২৬ সালের শেষের দিকে এসে কিম সেই ভাগের অঙ্কটি করতে পারছিল, যা একসময় তাকে সমস্যায় ফেলেছিল। আরও কঠিন অঙ্কও করতে শিখেছিল সে। হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি পাঠ সে ফিরে পায়নি। পরিবারের ভবিষ্যৎও তখনও অনিশ্চিত। কিন্তু আবার নতুন করে শেখার নিজের ক্ষমতার উপর বিশ্বাস ফিরে পেতে শুরু করেছিল কিম।
স্কুলের বইপত্রের সঙ্গেই খাতাটি যত্ন করে রেখে দিত সে। মাঝেমধ্যে প্রথম দিকের পাতাগুলি খুলে দেখত। যেখানে ভুল হয়েছিল, সেগুলি রবার দিয়ে মুছে দেওয়ার পরেও হালকা দাগ হয়ে রয়ে গিয়েছে। কিন্তু সে সেই পাতাগুলি ছিঁড়ে ফেলেনি।
কিম এবং অনন্যা-
বেঙ্গালুরুতে অনন্যা নামে আরও এক দশ বছরের মেয়ে স্কুলের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গত তিন বছরে সে একের পর এক ক্লাসে উত্তীর্ণ হয়েছে। এই সময়ে ভগ্নাংশের অঙ্ক শিখেছে, স্কুলের নানা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছে, কয়েক মাস নাচের ক্লাসও করেছে। পরে অবশ্য নাচ ছেড়ে ব্যাডমিন্টন খেলতে শুরু করেছে। মেয়ের পরীক্ষার নম্বর এবং ট্যাবলেটে অতিরিক্ত সময় কাটানো নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তার বাবা-মা। স্কুলের খরচ এবং আলাদা টিউশন প্রয়োজন কি না, তা নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধ হয়েছে।
অনন্যার শৈশবেও ছিল নানা সাধারণ সমস্যা ও চাপ। কিন্তু প্রতি বছর তার পড়াশোনা আগের বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এগিয়েছে। তার রিপোর্ট কার্ডে রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষাজীবনের হিসাব। ভাগের অঙ্ক করতে গিয়ে যখন সে সমস্যায় পড়েছে, তখন শিক্ষিকা তার আগের খাতাগুলি দেখে বুঝতে পেরেছেন, ঠিক কোথায় ভুল হচ্ছে। সেই অনুযায়ী সাহায্যও করতে পেরেছেন।
অন্যদিকে, একই বয়সে কিমকে প্রথমে নতুন করে সেই পরিবেশ এবং নিয়মিত জীবনযাত্রা তৈরি করতে হয়েছে, যার উপর দাঁড়িয়ে পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
যদি দুই মেয়েরই শিক্ষার সমান অধিকার থাকে, তাহলে একজনের জীবনের হারিয়ে যাওয়া সেই বছরগুলির দায়ভার কার? যে বছরগুলি সে শুধু নিজের পড়াশোনা ফিরিয়ে আনার চেষ্টাতেই কাটিয়ে দিয়েছে, তার ক্ষতিপূরণ কে করবে?
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মণিপুরে বাস্তুচ্যুতি এবং তার ফলে পরিবারগুলির সন্তানদের শিক্ষাজীবনে তৈরি হওয়া বিপর্যয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই কাল্পনিক গল্পটি লেখা। এখানে কোনও চরিত্র বা কথোপকথনকে বাস্তব সাক্ষাৎকার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।