Supreme Court: ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বৈধতা এখনও বিচার করেনি সুপ্রিম কোর্ট’, বাংলার SIR নিয়ে বললেন বিচারপতি বাগচী

এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ভোটারদের যে নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাতে যথেষ্ট স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ তুলে মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। সেই মামলায় নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ডি এস নাইডু উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্ট এসআইআরের প্রতিটি পর্যায় পর্যবেক্ষণ করেছে। বৈধতা খতিয়ে দেখেছে।

Supreme Court: লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বৈধতা এখনও বিচার করেনি সুপ্রিম কোর্ট, বাংলার SIR নিয়ে বললেন বিচারপতি বাগচী
Image Credit source: TV9 Bangla

Oct 28, 2026 | 10:54 PM

নয়া দিল্লি: বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (SIR) মামলায় এবার উঠল বাংলার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির প্রসঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ যাওয়ার ক্ষেত্রে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির যুক্তি কার্যকর করা হয়েছিল। কিন্তু সেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বৈধতা এখনও বিচার করা হয়নি বলে মৌখিক পর্যবেক্ষণে জানালেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।

বুধবার দিল্লির এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই শুনানিতেই বিচারপতি বাগচী উল্লেখ করেছেন যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে কোনও চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ব্যবহারের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা ছিল অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহানার বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি।

এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন ভোটারদের যে নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাতে যথেষ্ট স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ তুলে মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। সেই মামলায় নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ডি এস নাইডু উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্ট এসআইআরের প্রতিটি পর্যায় পর্যবেক্ষণ করেছে। বৈধতা খতিয়ে দেখেছে। এই প্রসঙ্গেই বিচারপতি বাগচী মৌখিক পর্যবেক্ষণে বলেন, “বিহারের এসআইআর থেকেই এটা বলা যায় না যে প্রত্য়েকটা প্রশ্নের উত্তর মিলেছে। নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিকে একটি আলাদা বিভাগ বা ক্যাটাগরি হিসেবে গণ্য করেনি। আমরা একটা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছিলাম। আমরা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বৈধতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি।”

সেইসঙ্গে বিচারপতি আরও উল্লেখ করেন যে মৌখিক পর্যবেক্ষণকে কোনও চূড়ান্ত রায় হিসেবে ধার্য করা যাবে না, বিশেষত স্পর্শকাতর বিষয়ের ক্ষেত্রে। এই বিষয়ে এর থেকে বেশি আর মন্তব্য করেননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, মৌখিক পর্যবেক্ষণকে হাতিয়ার করে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে যেন, সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গিয়েছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us