Liquor Price Slash: হরির লুট একেই বলে! হাফ দামে বিক্রি দামি দামি মদ, খবর পেয়েই পাঁইপাঁই করে ছুট সুরাপ্রেমীদের

Liquor Sale Rush: যারা সুরাপ্রেমী, তারা এই বাম্পার ডিসকাউন্ট পেয়ে কম দামি মদের বদলে প্রিমিয়াম মদই কিনেছেন বেশি। ইম্পেরিয়াল ব্লু, রয়্যাল স্ট্যাগ, ওল্ড মঙ্ক-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল।  প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের মধ্যে ব্লেন্ডার্স প্রাইড, অ্যান্টিকুইটি ব্লু বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। 

Liquor Price Slash: হরির লুট একেই বলে! হাফ দামে বিক্রি দামি দামি মদ, খবর পেয়েই পাঁইপাঁই করে ছুট সুরাপ্রেমীদের
মদ কিনতে হুড়োহুড়ি। Image Credit source: Social Media

|

Apr 02, 2026 | 6:45 PM

চণ্ডীগঢ়: মদ কিনতে হুড়োহুড়ি। আর হবে নাই বা কেন? যদি ৪০০০ টাকার মদ যদি ২০০০ টাকা বা ১৫০০ টাকায় পাওয়া যায়, তাহলে কে সেই অফার ছাড়বে? এমনকী, ঝড়-বৃষ্টি মাথায় করেও লোকজন ছুটলেন মদ কিনতে। কেউ ২-৪টে বোতল, কেউ আবার আস্ত পেটি- যে যত পারলেন, মদ কিনলেন। কিন্তু হঠাৎ কেন হরির লুট হল মদের?

মদ কিনতে হুড়োহুড়ি, পাগলামির এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে পঞ্জাবে। সেখানে মদের উপরে বাম্পার ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের শেষ দিন ছিল ৩১ মার্চ। ওই দিন পঞ্জাবে মদের চুক্তিরও শেষ দিন ছিল। ফলে কন্ট্রাক্টররা আগে থেকে কেনা স্টক ফাঁকা করতে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেন। আর তাতেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মদ কেনার।

জলন্ধর, লুধিয়ানা, অমৃতসর, ভাটিন্ডা, পাঠানকোট, মোহালি- পঞ্জাবের প্রায় সব জেলাতেই মদের দোকানগুলিতে চোখে পড়ার মতো ভিড় ছিল। লুধিয়ানায় ৩১ মার্চ তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। তাতেও সুরাপ্রেমীদের দমানো যায়নি। ওই বৃষ্টির মধ্য়েই মদের দোকানে লাইন দিতে দেখা যায়।

যারা সুরাপ্রেমী, তারা এই বাম্পার ডিসকাউন্ট পেয়ে কম দামি মদের বদলে প্রিমিয়াম মদই কিনেছেন বেশি। ইম্পেরিয়াল ব্লু, রয়্যাল স্ট্যাগ, ওল্ড মঙ্ক-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল। প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের মধ্যে ব্লেন্ডার্স প্রাইড, অ্যান্টিকুইটি ব্লু বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে।  জনি ওয়াকার রেড লেবেল ১২০০ টাকায়, জনি ওয়াকার ব্ল্যাক লেবেল ২২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিয়ার পাওয়া গিয়েছে জলের দরে। ৪৫০ টাকার বিয়ার পাওয়া যাচ্ছিল ২৫০ টাকাতে!

অনেকেই আবার জামা-কাপড়ের নীচে মদের বোতল লুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, কারণ পুলিশ মোড়ে মোড়ে নাকাবন্দি বসিয়েছিল। যেহেতু কোনও এক ব্যক্তির গোটা ক্রেট কেনা বেআইনি, তাই পুলিশ অনেককেই ধরেছে।

Follow Us