
মুম্বই: চোরাগোপ্তা উপায়ে পাকিস্তানি গুপ্তচরের কাছে ফাঁস করে দিচ্ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল নথি। এই অভিযোগেই এবার মুম্বইয়ের মাজ়াগাঁও ডকইয়ার্ড থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার কর মহারাষ্ট্রের অ্য়ান্টি টেরর স্কোয়াড। বছর একত্রিশের ওই ব্যক্তি ডকইয়ার্ডেরই কর্মী। সেখানে স্ট্রাকচারাল ফ্যাব্রিকেটর হিসেবে কাজ করছিলেন। মহারাষ্ট্রের এটিএস সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তিকে প্রথমে মধুচক্রে ফাঁসানো হয়েছিল এবং তারপর তাঁকে ব্ল্যাকমেল করে সংবেদনশীল নথি জোগাড় করা হয়েছিল ওই ব্যক্তির থেকে।
প্রাথমিকভাবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের এক মহিলা এজেন্ট তাঁর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুত্বের ফাঁদ পেতেছিলেন। বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। মহারাষ্ট্র এটিএস সূত্রে খবর, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করার বদলে মোটা অঙ্কের টাকাও পেত ওই ব্যক্তি। এক বিবৃতিতে মহারাষ্ট্র এটিএস জানিয়েছে, তাদের কাছে খবর ছিল এক সন্দেহভাজন ভারতীয় পাকিস্তানি গুপ্তচরের কাছে তথ্য জোগান দিচ্ছে। সেই মতো হানা দিয়েই এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
মহারাষ্ট্র এটিএস-এর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তকে দফায় দফায় জেরা করেছেন অ্যান্টি টেরর স্কোয়াডের অফিসাররা। তদন্তে উঠে এসেছে, ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঙ্গে পাকিস্তানি এজেন্টের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্য়াপে যোগাযোগ ছিল। ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের মে মাস পর্যন্ত তাঁদের যোগাযোগ ছিল বলে জানতে পেরেছে এটিএস। শেষ পর্যন্ত ওই ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের চ্যাটের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করছে মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি টেরর স্কোয়াড।
অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের আওতায় ওই ডকইয়ার্ডের কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে দফায় দফায় জেরা করছেন এটিএস-এর অফিসাররা। তবে কী জাতীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে এখনই সেই বিষয়টি খোলসা করছে না এটিএস।