Bangla NewsIndia Maharashtra Ladki Bahin Yojana: Will 80 Lakhs Beneficiaries whose Name Removed have to Give Back Money? CM Devendra Fadnavis Clarifies
Government Scheme Update: অবৈধভাবে মাসে মাসে পেয়েছেন ১৫০০ টাকা, এবার টাকা ফেরত নেবে সরকার?
Ladki Bahin Yojana: এই সরকারি প্রকল্প শুরু হয়েছিল দুই বছর আগে। রাজ্যের বিজেপি জোট সরকার মহিলা উপভোক্তাদের মাসে মাসে ১৫০০ টাকা করে পেতেন। মহারাষ্ট্রে ২ কোটি ৪৬ লক্ষ মহিলা এই স্কিমে আর্থিক সুবিধা পেতেন। তবে সম্প্রতি ই-কেওয়াইসি না করানোয় এবং বিপুল গরমিল খুঁজে পাওয়ার পর ৮০ লক্ষ উপভোক্তার নাম বাদ দেওয়া হয়।
মুম্বই: নাম বাদ গিয়েছে ৮০ লক্ষ উপভোক্তার। সরকারি প্রকল্পের অধীনে তারা আর মাসে মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবেন না। এদেরকে ইতিমধ্যেই অযোগ্য বলে ঘোষণা করেছে সরকার। জুন মাস থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টাকা। এরপর থেকেই জল্পনা-গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যে ৮০ লক্ষ মহিলা উপভোক্তার নাম বাদ গিয়েছে, তাদের কাছ থেকে বিগত দুই বছরে সরকারের দেওয়া টাকা আদায় করা হবে। সত্যিই কি তাই?
মহারাষ্ট্রের লড়কি বহেন যোজনা (Ladki Bahin Yojana) নিয়ে এখন তুমুল চর্চা। এই সরকারি প্রকল্প শুরু হয়েছিল দুই বছর আগে। রাজ্যের বিজেপি জোট সরকার মহিলা উপভোক্তাদের মাসে মাসে ১৫০০ টাকা করে পেতেন। মহারাষ্ট্রে ২ কোটি ৪৬ লক্ষ মহিলা এই স্কিমে আর্থিক সুবিধা পেতেন। তবে সম্প্রতি ই-কেওয়াইসি না করানোয় এবং বিপুল গরমিল খুঁজে পাওয়ার পর ৮০ লক্ষ উপভোক্তার নাম বাদ দেওয়া হয়। এদের আর্থিক সুবিধা দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। এবার কি এতদিন ধরে যে সরকারি টাকা পেয়েছেন, সেটাও ফেরত দিতে হবে?
এই নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস (Devendra Fadnavis)। তিনি জানালেন, যে ৮০ লক্ষ উপভোক্তাদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে কোনও টাকা ফেরত নেওয়া হবে না।
কাদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে?
১. মহারাষ্ট্রে লড়কি বহেন যোজনায় মহিলা হিসেবে আবেদন করেছিলেন ১৬ হাজার পুরুষ। তাদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
২. এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারিত। ২১ থেকে ৬৫ বছর বয়সী মহিলারাই আবেদন করতে পারেন। তবে এখন জানা গিয়েছে, ৭৮ হাজার মহিলা, যাদের বয়স এখনও ২১ হয়নি, তারাও আবেদন করেছিলেন। এদের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
৩. ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ২ লক্ষ মহিলা আবেদন করেছিলেন লড়কি বহেন যোজনায়, তাদের নামও বাদ পড়েছে ‘লড়কি বহেন’ যোজনা থেকে।
৪. লড়কি বহেন যোজনায় আয়ের সীমা বছরে আড়াই লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে ১০ লক্ষ মহিলা, যাদের আয় বছরে আড়াই লক্ষ টাকার বেশি অথবা যারা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন, তারাও এতদিন মাসে মাসে এই আর্থিক ভাতা পেতেন। এদের নাম বাদ পড়েছে।
৫. সরকারি কর্মরত বা যাদের পরিবারের সদস্যরা সরকারি চাকরি করেন, তারা এই প্রকল্পের যোগ্য নন। এমন সাড়ে চার লক্ষ মহিলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা এই সুবিধা নিচ্ছিলেন। তাদের নামও বাদ পড়েছে।
৬. কারোর চার চাকার গাড়ি থাকলে, তাদের লড়কি বহেন যোজনায় অযোগ্য বলে গণ্য করা হয়। এমন ২ লক্ষ উপভোক্তার নাম বাদ পড়েছে, যারা অযোগ্য।
৭. সবথেকে বেশি সংখ্যক মহিলার নাম বাদ পড়েছে, যারা ই-কেওয়াইসি করেননি। পাঁচ মাস সময় দেওয়া হয়েছিল ই-কেওয়াইসি করার জন্য। তিনবার সময়সীমা বাড়ানোর পরও ৬২ লক্ষ মহিলা তাদের ই-কেওয়াইসি আপডেট করেননি, তাদের নাম বাদ পড়েছে এই প্রকল্পে।